Freelance On Page SEO Projects Summary

its been half and year ago i started to work Freelance On Page SEO works for my clients. As a developer i always like to develop new and creative works. but, I have some interest in SEO,  that’s why i thought it will be nice if i work both Freelance WordPress Development , Troubleshooting works as well as On Page SEO works and i started. I didn’t count how much project i complete! but, I will try to cover some top On Page SEO projects i did from last year. lets start,

# This is the first On Page SEO project i did, Los-Angles Hair.  It’s not exist may be. I had to work with some top class “Los angeles Hair” Keyword and solved some technical WordPress issue related with on page seo such as, robots.txt , Load speed optimization etc.

Feedback Below :

On Page SEO_1

Continue reading

অকৃত্রিম কিছু

কিছু মন খারাপ থাকে, যা বলার মতো শব্দ পাওয়া ভার,
তখন আমরা বলি, জানি না কেন মন খারাপ, কি জন্য …
কিছু আনন্দ থাকে, যেটা কোন কিছু দিয়ে প্রকাশ করা যায়না,
চোখের পানি ই সেই আনন্দ প্রকাশ করে দেয় সবার কাছে,

কিছু কথা থাকে, যা বলার জন্য কোন ভাষা প্রয়োগ করতে হয় না,
তার চোখে চোখ রাখো, ঘন্টার পর পর তাকিয়ে থাকো …
দেখো কতোই না না বলা কথা বের হয়ে আসে সেখান থেকে,

কিছু অনুভূতি প্রকাশ করতে সমুদ্র পাড়ে যেতে হয় না,
কাশবনের মাঝে চুপটি করে দুজন হাটতে থাকো,
বৃষ্টিতে ভিজতে থাকো, অকারনে মুচকি হাসো ….
তোমার নির্বাক দৃষ্টিই তোমার অনুভূতি প্রকাশ করে দেবে …

অনুভূতি আর অনুভূতি; সবখানেই অনুভূতি

দুই দিন ধরে আশেপাশে মজার মজার ঘটনা ঘটতেছে। দুইটা বলিঃ

১.

ছোটভাই রেজাল্ট খারাপ করছে+ সারাদিন ফাজলামি করে, সেই পুরস্কার স্বরূপ রাতে ও তাকে ফাজলামি করার অনুমতি দেয়া হইছে, সেই সুবাদে আজ সে বাসার বাইরে রাত্রিযাপন করতেছে। আব্বু, বাসার গেট তালা মেরে চাবি নিয়ে ঘুম দিছে। আর আম্মু, সারারাত বাসার বারান্দায় পায়চারি করতেছে।
আর বেচারা, ছোটভাই বাসার বাইরে। তো, একটুআগে ফোন দিলাম আম্মুকে, তারপর কইলাম ছোটরে দাও ফোনটা। তারে জিগাইলাম, ভাইয়া … তোর অনুভূতি কেমন? ..
উত্তরে কি বলছে, সেইটা আর না ই বলি :S :S :P :P

 

২.

আজ হঠাৎ করে দেখি আমার টিস্যু বক্সের মেলা টিস্যু গায়েব। তো আগেও মাঝে মাঝে গায়েব হতো কারন বাসায় অন্য বন্ধুরা মাঝে মাঝেই হামলা করে এই বক্সের উপর। তো, বন্ধুরা তো কয়দিন হইলো সব বাড়ি গেছে(বাসায় শুধু আমি আর আমার রুমমেট বড়ভাই আর তার বাড়ি থেকে আসা এক গেস্ট)। কেউ নাই তবুও টিস্যু বক্সের স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ, ব্যাপারটা চিন্তার উদ্রেক করলো। তো সন্ধ্যার দিকে ভেবে ভেবে যা পাইলাম, বড় ভাই এর যে গেস্ট আসছে তিনি গত দুইদিন ধরে আমার ফেসিয়াল টিস্যু, তেনার টয়লেট টিস্যু হিসাবে জবরদস্ত ইউজ করতেছেন। রাতে রুমে এসে তিনি বললেন ভাইয়া টিস্যু নিলাম। আমি বললাম জি ভাই নেন… নেন… নেন … উনি টিস্যু নিয়া যাওয়ার পর মনে মনে কইলাম Eida Kisu Hoilo? কিসু হইলো?

## RIP Facial Tissue
আর কিছু কওয়ার নাই মুহুর্তে
টিস্যু কথা কইতে পারলে জিগাইতাম,
তার অনুভূতি কি ? :S :S

Evernote Tutorial Playlist, Remember Everything

Evernote is a suite of software and services designed for notetaking and archiving. A “note” can be a piece of formatted text, a full webpage or webpage excerpt, a photograph, a voice memo, or a handwritten “ink” note. Notes can also have file attachments. Notes can be sorted into folders, then tagged, annotated, edited, given comments, searched and exported as part of a notebook. Evernote supports a number of operating system platforms (including OS X, iOS, Chrome OS, Android, Microsoft Windows, Windows Phone, BlackBerry, and webOS) and also offers online synchronisation and backup services.

- wikipedia

Continue reading

আপেক্ষিক

শহুরে জানালায় বিষাক্ত বাতাস… তবু,
নিরা দাঁড়িয়ে দুহাত বাড়িয়ে ..
বিদ্যুতের ঝলকানি, কেঁদে উঠে আকাশ
আর মৃত জলছবি’র চরিত্র গুলো,
এরই মাঝে হাতড়ে হাতড়ে ঘুরে ফেরে
চেনা-অচেনা ভুলে ভরা স্বপ্নগুলো …

রিহান’দের গল্প

অলস সময়ে রিহান ব্যস্ত রাস্তাগুলার পাশে যেয়ে বসে। এই সময়টুকুতে ব্যস্ত মানুষদের দেখতে তার ভালোই লাগে। বিশেষ করে বিকালে অথবা সন্ধার পর। অফিস হতে বাসাগামী লোকজন, স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ি যাওয়া। আরো কতো কি! দেখতে দেখতে তার নিজের ও ক্লান্ত লাগে।

কয়েক রাস্তা পরেই নিরা’দের বাড়ি। হেটেই যাওয়া যায়। তার যেতে ইচ্ছে ও করছে। রিহান জানে গেলেই নিরা বের হয়ে আসবে। কিন্তু তার ভালো লাগে না বারবার এই মেয়ে টাকে জ্বালাতে। সে আত্নকেন্দ্রিক, আর আত্নকেন্দ্রিক মানুষেরা নিজের আত্নভাবনা নিয়েই ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসে। আশেপাশে তারা খুব বেশি তাকায় না। তাই তারা তাদের ভাবনাগুলো থেকেও গুরুত্তপূর্ণ অনেককিছু হারিয়ে ফেলে নিজের অজান্তে।

রাস্তা দিয়ে হাটতে হাটতে রিহান শুনছে একজন আর একজনকে বলছে এভাবে চললে হবে না, কখনোই সুখী হতে পারবে না। এভাবে চলো। হতাশ হবা না। তার কাছে এই মানুষগুলো কেই সবচেয়ে বেশি অসুখী মনে হয়। তারা অপরকে সুখী হওয়ার টিপস বিতরণ করে নিজেকেই শান্তনা দেয় মনে হয়। ভাবনাটা ভুল ও হতে পারে। রিহানের লোকটার কাছে গিয়ে খুব বলতে ইচ্ছে করলো, ভাইয়া আপনি কি সুখী? হতাশা বিহীন মানুষ? আপনার সাথে একটু হাটতে পারবো?

রিহানের ফোন বেজে উঠে। দীর্ঘশ্বাস ফেলে, সেও ব্যস্ত হওয়ার অভিনয়ে মেতে উঠে। আধ খাওয়া সিগারেটটি রাস্তায় ফেলে এই মামা যাবে বলে, রিকশায় চেপে বসে। হেডফোনে বাজতে থাকে শিরোনামহীন,

একদিন এই ঝড়, তোমার এই শহরে,
ভেজায় যায় সব জানালা তবু আমি বসে আছি।
অনেক মানুষের ভীড়েও তুমি থাকো একাকী।
আমি অনেক আশা নিয়ে জেগে থাকি…

 

আমি ?

মেয়েটি লজ্জা লজ্জা চোখে তাকাচ্ছিল না,
ছেলেটি বেহায়া’র মতো তাকিয়েই আছে,
মাঝে মাঝে অস্থির ভাবে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলো,
চোখে চোখ পড়লে হিমশীতল ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে।
যেন নীলগিরি’তে রাস্তা হারিয়ে ফেলেছে,
বেচারা! বেশি সৌন্দর্য সহ্য করতে পারেনি,
বারবার ঘুরেফিরে তাকিয়েছি অনেকবারই,
লাল পাঞ্জাবী কেউ পরে আজকাল!
একটু এগিয়ে গিয়ে বললাম, কেমন আছেন?
ভিসুভিয়াস যেন ফেটে উঠলো, আমি??

আর একটু ঘুম

ছোটবেলায় মা মারলে কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পড়তাম, বড় হয়ে আর সেটা সম্ভব হচ্ছে না। “মা”র মাইরে মনে হয় অন্য কিছু থাকে যেটা ঘুমের জন্য কার্যকরী … না হলে বড় হওয়ার পর যতোই কাঁদেন ঘুম তো আসবেই না, বরং উল্টা কাজ হতে পারে। নন স্টপ ঘুম হারাম !! , মার কাছে গিয়ে বলতে ইচ্ছা করছে মা একটূ মারো না, আমি একটু ঘুমাবো। যে ঘুমে কোন দুঃস্বপ্ন থাকবে না। থাকবে না, ঘুম থেকে উঠার পর কিছু না পাওয়ার অতৃপ্তিটুকু …

চেনা অচেনা

খুব ইচ্ছে করে
একদিন গভীর রাতে হারিয়ে যাই,
অচেনা নদীর পাড় ধরে হাটি,
সমুদ্রের কাছাকাছি যাই
পা ভিজিয়ে চলি,

খুব ইচ্ছে করে
একদিন জোস্ননা রাতে হারিয়ে যাই,
কোন এক অচেনা গ্রামে,
যেখানে হুতুম পেচার ডাকে
বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠবে,
বাশঝাড়ের শিরশির শব্দ
হঠাৎ করে থেমে যাবে,

খুব ইচ্ছে করে
কোন এক পূর্ণিমায় হারিয়ে যাই,
আমার চেনা শহরে,
চেনা অলি গলি গুলোতে,
সবচেয়ে চেনা মানুষটির সাথে ..

: )

বিক্ষিপ্ততা

বন্ধুটি বলে উঠলো, বিয়া করলে তো তুই শেষ। তোরে পাওয়া মুশকিল হইয়া যাইবো। আমিও টাশকি। তাই তো ! কিন্তু ব্যাপারটা একটু বিশ্লেষন করে দেখলাম, আসলে সমস্যা কি ধরনের হতে পারে মুশকিল হওয়ার মতো? ভেবে ভেবে খুব বেশি কিছু পেলাম না, ব্যস্ততা জিনিসটা ছাড়া। কাজ-কর্মে ব্যস্ত, এই তো? আর তেমন কি এমন কারন থাকবে?

একটু পুরানো জিনিস ভেবে দেখলাম। যে মানুষের সাথে তীব্র পরিমান ক্লান্ত থাকার পরেও ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা যায়, ঘন্টার পর ঘন্টা হাটা যায়। ছোট ছোট আনন্দ দেয়ার জন্য কতো কিছুই না করা যায়, সামান্য কিছু সময়ের বিবর্তনে সেটার এতো পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব হয়? শুধুমাত্র ব্যস্ততার জন্য এতকিছু হয়ে যাবে? পরিচিত একটা লাইন বলতে কখনোই চাই না তবুও মাঝে মাঝে বলতে হয়, No one is busy in this world, its all about priority.

কিছু মানুষের সাথে কথা বলতে তো কখনোই সময়জ্ঞান করতে হয়নি,
কিছু মানুষের সাথে আড্ডা দিতে তো কখনো শিডিউল দেখতে হয়নি,
কিছু মানুষ কথা বলতে চাইলে বেলালুম ভুলে যেতাম ব্যস্ততার সব স্তরগুলি
এই কিছু মানুষ গুলোই তো সবকিছু, কতো সুখ-বেদনার, কালক্ষণের রাজসাক্ষী,

এই মানুষগুলোকে ছাড়া কেমনে আমি শেষ হই?
আমি তো ছিলাম, এই তো এখনো আছি চেয়ে দেখ ,
আমি থাকবো … এবং
বেহায়ার মতো থেকেই যাবো … : )