সফলতা ব্যর্থতার আপেক্ষিকতা

সফলতা ব্যর্থতা বিষয়গুলো মারাত্নক রকমের আপেক্ষিক। নির্দিষ্ট কোন মাপকাঠি নাই, নাই কোন হিসাব। কর্মক্ষেত্রে শতভাগ সঠিক পথে নিজেকে পরিচালনা করার হার ও নেহায়তই কম। তাহলে?

চাকরিজীবনে সেলারি, আবার পার্ফমেন্স ঘাটতি থাকলে সেলারি কর্তন, উচ্চপদস্থ হতে হতে জীবনের অর্ধেক সময় শেষ। ব্যবসার ক্ষেত্রে নানা ঘাত প্রতিঘাত সয়ে তের ঘাটের জল খেয়ে আধাপাকা চুল নিয়ে সফলতা প্রত্যাশি হতে হয়।

যে নারী তার জন্য সুযোগ আছে, যে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী তার জন্য সুযোগ আছে, যার কিছু নাই একদমই ভিটাহীন তার জন্যও কিন্তু সুযোগ আছে। মাঝ খানে একটা বাদ পরে গেছে মধ্যবিত্ত। চাল চুলাটা তার আছে, সরকারী কলেজে পরে টুকটাক করে এগুচ্ছে তার জন্য এই রাষ্ট্রের কি আছে?!

একটা সম্প্রদায় আছে আরেক ফ্যাকরাতে। কিছু একটা ছোট খাটো চাকরি বা, ছোট একটা ব্যবসা আছে। তাতে দিন এনে দিন খেয়ে যাচ্ছে, মাসের পর মাস চলে যাচ্ছে কিন্তু জীবনে উন্নতি আর হচ্ছে না।

যা বললাম সবই হতাশাজনক কথাবার্তা, এবং সত্যি সত্যিই সমাজের বিশাল একটা অংশ এই কয়েকটার মধ্যেই আটকে আছে। জীবন অনেক সমস্যাময় এটা মেনে নিয়েই সবাই এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে, ছোট ছোট কিছু বিষয় অনেককিছু বদলে দিতে পারে। আপনি সারাদিন ঘুমিয়ে থাকলেন, আপনি জানলেন ই না কি দুদার্ন্ত সুযোগ আপনি আজকে মিস করে গেলেন। ইউনিক ইউনিক খুজতে খুজতে কিছু মানুষ জীবনের অর্ধেক পার করে দেয় কিছু না করেই। সবাইকে ইউনিক কিছু করতে হবে কে বলেছে? ধরে নেন আপনার মাথায় গোবর। খুবই প্রচলিত কিছুই করেন। কারন, ব্যবসায় সব কিছুই ইউনিকনেসের উপর না। চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে প্রচলিত যেকোন কিছু করেও কত বড় হওয়া যায় সে ধারনা আপনার নাই।

মেঘনা গ্রুপের বার্ষিক রেভিনিউ ৩০০ মিলিয়ন ডলার। এই কোম্পানীর মালিক মোস্তফা কামাল সাহেব একসময় চাল, ডাল, ময়দা পুরান ঢাকা থেকে কিনে মিরপুরের দিকে বিক্রি করেই যা লাভ হতো সেটা দিয়ে জীবন চালাতেন। সে ই একই কাজ এখনও করেন তবে পার্থক্য হচ্ছে আগে স্থান পরিবর্তন করে বিক্রি করতেন আর এখন তিনি উৎপাদন করেন। জীবনের শুরুতেই যেমন বিএসসি ডিগ্রী হয় না তেমনি উৎপাদন ও চাইলেই করা যায় না।

জীবনের ছোট ছোট বদঅভ্যাস গুলো পরিত্যাগ করে ১০ গুণের বেশি প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানু যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠেন, ব্যবসার ক্ষেত্রে যেকোন মূল্যে কথা দিয়ে কথা রাখার চেষ্টা করুন কারন কাস্টমার আপনার জীবনের মূল ভিত্তি। বরখেয়াল করে নিজেকে মূল্যহীন করে দিবেন না।

আপনার যতোই ডিগ্রী থাকুক অভিজ্ঞতা অর্জন করা ছাড়া সঠিক পথে আগানো প্রায় অসম্ভব। তাই, ২/৩ দিনে অন্তৎ ২/৩ পৃষ্ঠা হলেও আপনার ফিল্ডের বইপত্র নিয়ে ঘাটাঘাটি করুন। ওই ফিল্ডের বিশেষজ্ঞদের বই পড়ুন। সামান্য কিছু পৃষ্ঠা আপনাকে একটা মানুষের জীবনের ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে দিবে।

পরিশেষে, ব্যর্থ হওয়ার পর ভাবুন ব্যর্থ হওয়ার যোগ্যতা বা, ভাগ্য সবার হয় না। আপনি সৌভাগ্যবান কারন আপনি ব্যর্থতার স্বাদ পেয়েছেন। আর, সফলতা শুধুমাত্র তার জন্য যে ব্যর্থতার স্বাদ পায়। দুটি ধাপের প্রথম ধাপ আপনার কমপ্লিট হয়ে গেলো।

২১/১০/২০১৫

free domain registration

Web Hosting Bangladesh and Free Domain Registration

Dhrubo Host is a PCI DSS Certified company as well CloudFlare certified Hosting Partner. It is a domain registration & Web Hosting company with full trust. 24/7 Email, Support Ticket & Skype Support is on. This is one of their best offer i’m posting. Their previous offer was free .com domain registration and this time they are offering free .org , .net & .me domain registration.

You will need a Web hosting to run a website. If you order any Shared Hosting at Dhrubo Host you will get a free domain, its simple.

→ Order any Shared Web Hosting to Get a Free .NET/.ORG/.ME Domain.
→ Order Here Web Hosting Bangladesh
→ This offer is only for first year.

E-mail : sales@dhrubohost.com
Skype : dhrubohost // Hotline : 01795 470074
Website : www.dhrubohost.com

ডাটাসেন্টার টায়ার আসলে কি?

ডাটাসেন্টার ৪ টায়ারের হয় ; টায়ার-১, টায়ার-২, টায়ার-৩, টায়ার ৪ !
একটু জেনে নেই এই সম্পর্কে !

টায়ার-১ঃ এই ধরণের ডিসি সাধারণত নন-রিডান্ডেন্ড হয় ! মানে যদি কোনো ধরণের বড় ঝামেলার সৃষ্টি হয় তবে তা কাটিয়ে উঠার জন্য এদের পর্যাপ্ত ব্যাকআপ প্ল্যান নেই ! যেমনঃ ব্যাকআপ কুলিং সিস্টেম/জেনারেটর থাকে না ! এরা সিঙ্গেল আপলিংক ইউজ করে যার অর্থ এদের নেটওয়ার্কে একটি মাত্র ব্যান্ডউইথ প্রোভাইডার থাকে। এদের আপটাইম ৯৯.৬৭১% (১৭২৯ মিনিট বার্ষিক ডাউনটাইম)

টায়ার-২ঃ এরা টায়ার-১ থেকে একটু ডেভেলপড ! এদের ব্যাকআপ কুলিং সিস্টেম/জেনারেটর থাকে। আপটাইম ৯৯.৭৪১% (১৩৬১ মিনিট বার্ষিক ডাউনটাইম)

টায়ার-৩ঃ এরা মাল্টিপল পাওয়ার এবং কুলিং ব্যবহার করে। সার্ভার ডাউন না রেখেই এরা মেইন্টেনেন্সের কাজ করতে পারে। আপটাইম ৯৯.৯৮২% (৯৫ মিনিট বার্ষিক ডাউনটাইম)

টায়ার-৪ঃ এরা সবচেয়ে বেশি রিডান্ডেন্ট ! পুরো কাঠামো ফল্ট-টলারেন্ট যার অর্থ এক বা একাধিক হার্ডওয়্যার ডাউন হইলেও এদের সমস্যা হয় না ! মাল্টিপল কুলিং ইউনিট, ইউপিএস, জেনারেটর থাকে কোনোটা ডাউন হলে বা ফেইল করলে ব্যাকআপ সাথে সাথে অন হয়ে যায় ! আপটাইম ৯৯.৯৯৫% (২৬ মিনিট বার্ষিক ডাউনটাইম) !

সোর্সঃ http://www.thedatacave.com/data-center-tiers-explained
কৃতজ্ঞতাঃ নাগিব মাহফুজ প্লাবন।

Screenshot

ব্যাকপ্যাক রেফারেল সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্তর

এক ব্যাকপ্যাকের স্টাটাস দিয়া ইনবক্সে অস্থির হইয়া গেছি।
সব প্রশ্নের উত্তর একসাথে দিচ্ছি।

১/ না, এটা স্পাম জাতীয় কিছু না। ডেসটিনিও না। আপনি কারো রেফারেলে সাইনআপ করলে ৫০০ টাকা ব্যালেন্স পাবেন যেটা কিনা আপনি তাদের সাইটে খরচ করতে পারবেন।

২/ তারা এই টাকা বিক্যাশও করবে না, আপনার বাসায় এসেও দিয়ে যাবে না। আপনাকে এইটাকা দিয়ে অথবা আরো কিছু টাকা এড করে কিছু কিনতে চাইলে অনলাইন থেকে কিনতে পারবেন।

৩/ আপনার রেফারেলে যখন কেউ একাউন্ট করবে তখন সে ৫০০ টাকা ব্যালেন্স পাবে আর আপনি পাবেন পেন্ডিং ২০০০ টাকা। এই পেন্ডিং ২০০০ টাকা তখন ই ব্যালেন্স হবে যখন সে কোন শপিং করবে অথবা ট্রাভেল করবে। শপিং করলে ৫০০ আর ট্রাভেল করলে ১৫০০ টাকা।

৪/ কেউ একাউন্ট করলে আজ না হয় কাল শপিং করবে অথবা ট্রাভেল করবে, কেউ হয়তো কিছুই করবে না সো ১০/২০/৩০ হাজার পেন্ডিং থেকে যে সবই ব্যালেন্স পাবেন তার কোন গ্যারান্টি নাই। যদি সবাই শপিং করে তাহলে পাবেন সেটা যেদিন ই হোক।

বোঝা গেছে ব্যাপারটা?
এইবার আমার রেফারেল দিয়ে সাইনআপ করে আমাকে পেন্ডিং ব্যালেন্স দিন আর শপিং করেন বেশি বেশি। 😉 

সাইআপ লিঙ্কঃ www.backpackbang.com/connect?rcode=1000012113

আমরা সবাই টাকা চাই, কিন্ত কখনো কি চিন্তা করি টাকা আসলে কি চায়?

আমরা সবাই টাকা চাই, কিন্ত কখনো কি চিন্তা করি টাকা আসলে কি চায়? আরেকজন তার পকেট থেকে টাকা বের করে দিবে আপনাকে, কেন দিবে? তার জন্য সে এক্সপেক্ট করবে ভ্যালু । ভ্যালু এ্যাড করতে কি প্রয়োজন? ইনোভেশন, প্র্যাক্টিক্যাল চিন্তা ভাবনা । ইনোভেইট করতে আবার দরকার জ্ঞান, আর জ্ঞানের প্রায়োগিক ব্যবহার ।

# সিজিপিএ ম্যাটার করে না, কিন্তু পড়াশুনা ম্যাটার করে, জানা এবং বোঝা টা ম্যাটার করে । রেজাল্ট ম্যাটার করে না কিন্তু নলেজ ম্যাটার করে ।
# নলেজ ম্যাটার করে না, যদি আপনি সেটাকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে না পারেন ।
# নলেজের বাস্তবিক প্রয়োগ কোন কাজে আসবে না যদি আপনি গতানুগতিক ধারায় আটকে যান, নতুন কিছু করতে না পারেন, ইনোভেশন না আসে
# ইনোভেশন ম্যাটার করে না যদি সেটা প্র্যাক্টিক্যাল, ফিজিবল না হয় । গাজাঁ খেয়ে ইনোভেইট করে লাভ নাই ।
# প্র্যাক্টিক্যাল ইনোভেশন এও লাভ নাই যদি সেটা মানুষের কাজে না আসে ।
নলেজ ‌=> ইনোভেশন ‌=> প্র্যাক্টিক্যালিটি => ভ্যালু => টাকা
কথা সিম্পল – প্রচুর পড়াশুনা করুন আপনার পছন্দের টপিকে, সেগুলোকে প্রয়োগ করে অভিনব কিছু করুন যা মানুষের জীবনে ভ্যালু এ্যাড করে । আপনার টাকার পিছে দৌড়াতে হবে না, টাকাই আপনার পিছে দৌড়াবে ।

লেখকঃ Abu Ashraf Masnun

blog post banner

ডোমেইন এবং হোস্টিং এর বেসিক, কি? কেন? কিভাবে?

1. ডোমেইন এবং হোস্টিং কী?
2. ডোমেইন কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়?
3. হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়?
4. ডোমেইন এবং হোস্টিং কিভাবে সেটাপ করতে হয়?

ডোমেইন কি ?

আপনার সাইটের জন্য ডোমেইন নাম হল একটি অদ্বিতীয় নাম। এই নামটাই আপনার সাইটের মুল ঠিকানা হবে। সাইটের মুল পাতাটি (হোম পেজ) সাধারনত ডোমেইন নামে অবস্থিত। যেমন Dhrubo Host কোম্পানীর ডোমেইন নেম www.dhrubohost.com আমাদের এ সাইটটির ডোমেইন নাম ।এই নামটি নিবন্ধন করে নিতে হবে, নিবন্ধন করার সাথে সাথেই ঐ সাইটের সকল তথ্য এবং আইপি এড্রেস DNS (Domain name System) Server এ সংরক্ষিত হয়ে যায়। শেষে যে শব্দটি থাকে যেমন .com, .net, .org ইত্যাদি এগুলো নিজের ইচ্ছামত ঠিক করতে পারেন-সাধারনত কমার্শিয়াল হলে .com, অর্গানাইজেশন হলে .org এভাবে নিয়ে থাকে।

ডোমেইন নাম নিবন্ধনের অনেক কোম্পানি আছে, প্রতিটি ডোমেইন নামের জন্য সাধারনত ১০ – ১৫ ডলার (৮০০ – ১৫০০ টাকা) দিতে হবে বছরে। যদি .com.bd এরুপ ডোমেইন নেন তাহলে BTCL এ এপ্লিকেশন করে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

ডোমেইন নাম ঠিক করার সময় অবশ্যই এরুপ নাম নিবেন যেটা উচ্চারন সহজ, অর্থপূর্ন, অল্প শব্দে হয়। .com, .org, .net, .biz, .edu ইত্যাদি টপ লেভেল ডোমেইন। এছাড়া অনেক ফ্রি ডোমেইন আছে যেমন, .tk ।

হোস্টিং কি ?

আপনার ওয়েব সাইট তখনই সারা বিশ্ব থেকে দেখা যাবে যখন আপনি আপনার সাইট কোন ওয়েব সার্ভারে হোস্টিং করবেন(জায়গা করে নেবেন)। যেমন Dhrubo Host একটি হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি। আপনি এই সাইট টি তে বিশ্বের যে কোন জায়গা থেকে এক্সেস করতে পারবেন এবং হোস্টিং সেবা নিতে পারবেন।

যখন আপনি একটা ওয়েব সাইট তৈরী করবেন তখন কোন পাবলিক ওয়েব সার্ভারে আপনার সাইটটি কপি করে রাখতে হবে। আপনি চাইলে আপনার পিসিকে ওয়েব সার্ভার করতে পারেন তবে এজন্য বেশ প্রস্তুতি দরকার। সাধারনত যেটা করা হয় তা হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানি এসব প্রস্তুতি নিয়ে অর্থ্যাৎ ওয়েব সার্ভার ও অন্যান্য সেবা নিয়ে বসে আছে। আপনি তাদের কাছে গেলেই নির্দিষ্ট পরিমান টাকার বিনিময়ে এসব সার্ভিস দেবে। কিছু বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এসব কোম্পানির বিভিন্ন প্যাকেজ আছে আপনি আপনার সুবিধামত প্যাকেজটি বেছে নিবেন।পরবর্তী টিউটোরিয়ালগুলিতে এসব বৈশিষ্ট্যগুলির আলোচনা করা হবে যাতে একজন বুঝতে পারে কোন্ কোন্ সুবিধাসহ প্যাকেজটি তার দরকার নিজের সাইটটির জন্য।

আমরা ব্রাউজারে যখন একটা ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখি এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তখন ব্রাউজার সেই ঠিকানাটিকে প্রসেস করে একটা সার্ভারে পাঠিয়ে দেয়। সেই সার্ভার তখন রিকোয়েস্ট অনুযায়ী নির্দিষ্ট পেজটি ব্রাউজারে পাঠিয়ে দেয় এবং আমরা পেজটি দেখি। তো এই সার্ভারটি যদি কখনও বন্ধ থাকে এবং সেই সময় যদি কোন ইউজার রিকোয়েস্ট পাঠায় তাহলে ইউজার দেখবে সাইট টি কাজ করছেনা অর্থ্যাৎ সার্ভার ডাউন।এমন সার্ভার নিতে হয় যেটা ২৪ ঘন্টা প্রস্তুত থাকবে কেননা আপনার সাইটের কোটি কোটি ভিজিটর থাকতে পারে এবং আপনি জানেন না যে কে কখন আপনার সাইটে ঢুকবে (বা আপনার সাইটের জন্য রিকোয়েস্ট পাঠাবে)। একটা সার্ভার কতক্ষন প্রস্তুত আছে সেই সময়টা হচ্ছে সেই সার্ভারের আপটাইম ।

হোস্টিং কিভাবে কিনতে হয়?

ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস কোথা থেকে নিবেন সেটা ঠিক করবার আগে আপনাকে জানতে হবে বেশ কিছু তথ্য! আপনাকে বুঝতে হবে আপনার প্রাথমিক দরকার গুলিকে। আর সেই বিষয়ে সাহায্য করবার জন্যই এই লেখা।

যা জানতে হবেঃ
১. ডোমেইনের সাথে ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল থাকে এবং এটা আপনার হাতেই থাকতে হবে।
২. হোস্টিং এর সাথে হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল (সিপ্যানেল) থাকে এবং এটাও আপনার হাতেই থাকতে হবে।
৩. আপনার হোস্টিং প্রোভাইডার কি কনফিগারেশনের সার্ভার ব্যবহার করে।
৪. সার্ভার আপটাইম কত এবং ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট আছে কি না।
৫. ম্যানিব্যাক গ্যারান্টি কতদিনের এবং তার শর্ত সমূহ।
৬. একটি সার্ভাসরে কতগুলি করে সাইট হোস্ট করা থাকে।

তবে ডোমেইন, হোস্টিং নেওয়ার আগে অবশ্যই যাচাই করে ভালো মানের হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে নেয়া উচিত।

যা দেখে প্রতারিত হবেন নাঃ
সাধারণ মানের সার্ভিস প্রোভাইডাররা তাদের হোস্টিং এর দাম অনেক কম রেখে থাকে, তার একটি কারণ হচ্ছে তারা এক সার্ভারেই প্রচুর সাইট হোস্ট করে, যা উচিত নয়। কিন্তু আমাদের সার্ভারের খুবই অল্প পরিমানে সাইট হোস্ট করবার কারণে আমাদের সার্ভার থাকে দ্রুত গতির এবং ঝামেলা মুক্ত। তাই আপাত দৃষ্টিতে আমাদের সার্ভিসের দাম বেশী মনে হলেও আপনিই জিতছেন শেষ পর্যন্ত।

আনলিমিটেড হোস্টিং বলে এক ধরনের হোস্টিং পাবেন। কখনো আনলিমিটেডের ফাদে পা দিবেন না। কারন সার্ভার এর হার্ড ডিস্ক কখনো আনলিমিটেড হয় না। যেমন আমাদের পিসির হার্ডডিস্ক ৫০০ জিবি ১ টেরাবাইট, সার্ভার এর হার্ড ডিস্ক ও এরকম। আনলিমিটেড শব্দ ব্যবহার করে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দেয়াই এসব কোম্পানীর কাজ। এদের থেকে দূরে থাকুন।

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এবং হোস্টিং কিভাবে সেটাপ করতে হয়?

ডোমেইন ও হোস্টিং নেওয়ার জন্য অবশ্যই হোস্টিং প্রোভাইডারের সাইট থেকে অর্ডার করতে হবে। ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে Dhrubo Host এর ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। তারপর, ডোমেইন সার্চ করুন।

Domain Search in Dhrubo Host

 

উপরের ছবিটি তে একটি সার্চ বক্স দেখা যাচ্ছে। এখানে গিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন নাম টি সার্চ করুন।

Domain Search Result Dhrubo Host

এবার Add to cart এ ক্লিক করুন। তারপর Checkout এ ক্লিক করুন।

 

Purchase Domain Dhrubo Host

এবার যদি হোস্টিং ক্রয় করতে চান তাহলে Continue Shopping এ ক্লিক করুন। আর যদি শুধু ডোমেইন কিনতে চান তাহলে নিচে নাম এবং অন্যান্য তথ্যাদি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করুন।

এবার আপনার পছন্দ অনুযায়ী প্যাকেজ সিলেক্ট করুন তারপর নিচের মতো একটি পেজ আসবে।

 

Web Hosting Dhrubo Host

কার্টে যদি আপনার ডোমেইন এড করা থাকে তাহলে Continue তে ক্লিক করুন অথবা, প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন অপশনে ক্লিক কর। এবার নিচের মতো একটি পেইজ আসবে।

 

Hosting in Dhrubo Host

 

উপরের চিত্রে তিনটি অপশনের যে কোন টি তে ক্লিক করুন। ধরুন, আপনি যদি চেকআউট করতে চান তাহলে চেকআউটে ক্লিক করুন।

 

Domain Configuration Dhrubo Host

 

আর এখানে বাই ডিফল্ট Nameserver এর এড্রেস দেয়া আছে। তো ডোমেইন এন্ড হোস্টিং অর্ডার এর কাজ আপাতত শেষ।
আপনার পেমেন্ট সম্পন্ন করে ইমেইল চেক করুন, সেখানে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সফল এবং সিপ্যানেল এর তথ্যাদি পেয়ে যাবে।

cloudflare-banner

ওয়েবসাইটে ফ্রি ক্লাউডফ্লেয়ার ব্যবহার করুন, ওয়েবসাইট দ্রুত এবং সিকিউর করুন

প্রথমেই ক্লাউডফ্লেয়ার কি এবং এর সুবিধাগুলো সম্পর্কে লিখিঃ 

ক্লাউডফ্লেয়ার হচ্ছে একটি গ্লোবাল কমিউনিটি যারা ওয়েব ট্রাফিক নিজেদের ইন্টিলিজেন্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে দিয়ে রাউট করে। সহজ ভাষায় বললে, আপনি যখন ক্লাউডফ্লেয়ার কমিউনিটিতে জয়েন করবেন তখন ক্লাউডফ্লেয়ার কমিউনিটির সুযোগ সুবিধা গুলো ব্যবহার করতে পারবেন। তাদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সিডিএন টেকনোলজি এবং ওয়েবসাইট সিকিউরিটি।

CDN (কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক) টেকনোলজির মাধ্যেমে দ্রুততম সময়ে ভিজিটর’রা ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারে। ক্লাউডফ্লেয়ার এর গ্লোবাল নেটওয়ার্কে সারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সার্ভার স্থাপন করা আছে। তারা ভিজিটর এর লোকেশন ট্র্যাক করে সবচেয়ে কাছের সার্ভার থেকে ডাটা সার্ভ করে তাই ভিজিটর খুব কম সময়ে সাইট ব্রাউজ করতে পারে। ক্লাউডফ্লেয়ার যেকোন ধরনের ম্যালওয়ার, এবিউসিভ বট, থ্রেট, ক্রওলার থেকে সাইট সুরক্ষা করে সেকারনে প্রচুর ব্যান্ডউইথ ও বাচানো সম্ভব হয়।

সংক্ষেপে ক্লাউডফ্লেয়ার এর সুবিধাসমূহঃ 

১/ CDN – কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক।

২/ ওয়েবপেজ অপ্টিমাইজেশন।

৩/ DDos প্রোটেকশন এবং SQL Injection থেকে সুরক্ষা।

৪/ বিভিন্ন ম্যালওয়ার/ থ্রেট থেকে সুরক্ষা প্রদান।

৫/ ভিজিটর এনালাইটিকস সুবিধা প্রদান।

৬/ শক্তিশালি, দ্রুত এবং সিকিউর DNS সুবিধা।

ক্লাউডফ্লেয়ার ছাড়া এবং ক্লাউডফ্লেয়ার সহ ওয়েবসাইটের অবস্থা

ক্লাউডফ্লেয়ার ছাড়া এবং ক্লাউডফ্লেয়ার সহ ওয়েবসাইটের অবস্থা

Continue reading

সফলতা কোন প্রাপ্তি না, দক্ষতা না, না এটা আপনার সম্পদ। এটা একটা অভ্যাস এবং উপলব্দি

একবারে ফাল দিয়ে সফল হয়ে যাবেন এতো আশা কইরেন না। সফলতা এতো সহজ জিনিস নয় যে ঘুমাতে ঘুমাতে পেয়ে যাবেন। অনেকে আছে, সফলতা কি আসলে সেটাই উপলব্দি করতে পারে না। মাঝে মাঝে ব্যর্থ হলে আমি মহা খুশি হই, কারন পরবর্তী বার যখন আমি একই কাজে নামবো, আমার ভিতর থেকে আমি বুঝতে পারি যে এবার আমি ভুল করবো না এবং সফল হবো।

ছোট ছোট সফলতা গুলো হচ্ছে এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। এগুলো কে অনেকেই পাত্তা দেয় না। প্রতিবার কপালে ইলিশ জুটবে এটা ভেবে নেয়া বোকামি। তাই, ছোট ছোট সফলতা গুলোকে সেলিব্রেট করতে শিখুন। এদেরকে মূল্য দিন। কারন, অনেক গুলো ছোট ছোট সফলতা মিলেই কিন্তু একটি বড় সাফল্য তৈরী হয়।

কখনো কি এমন করেছেন? হয়তো আজ খুবই ছোট একটা কাজে সফলতা পেয়েছেন যা অন্যদের বলতেও লজ্জা হচ্ছে কারন এটা এতোই ছোট কিন্তু আপনি একাই আপনার ঘরে সেটাকে সেলিব্রেট করলেন আর একাই হাসলেন আর নিজেকে উৎসাহিত করলেন আর বললেন, “পরের বারের জন্য তৈরী হও বাছা”।

আসলে, সফলতা কোন প্রাপ্তি না, দক্ষতা না, না এটা আপনার সম্পদ। এটা একটা অভ্যাস এবং উপলব্দি। সফলতা গুলোকে উপলব্দি করতে শিখতে হবে। আপনি যখন সফল হবেন তখন আপনার প্রতিটি রক্তবিন্দু পর্যন্ত টের পাবে। কারন, একমাত্র তারাই আপনার ঘামের হিসেব রেখেছে আর কেউ নয়।