শ্রীমঙ্গল ভ্রমণের গল্প ও ভ্রমণ গাইডলাইন

28 Oct

বেশ কয়েকটা লম্বা সফরের পর কয়েকদিন শুয়ে বসেই ঘরে কাটিয়ে দিচ্ছিলাম। তারপর হুট করে মাথায় আসলো এই বছর বর্ষা প্রায় শেষের দিকে চলে আসছে একবার অন্তত শ্রীমঙ্গল ঘুরে আসি। নয়তো আবার পরের বছরের অপেক্ষা করতে হবে। মন আর মানলোনা তাই দিয়ে দিলাম ইভেন্ট যেহেতু কেউ না গেলেও একলা চলরে নীতিতে চলি তাই বসে বসে দিন গুনতে লাগলাম। আর, দেখতে দেখতেও ১০-১২জন জনগন যোগ দিলো অধমের সাথে। সময় করে একদিন ট্রেনের রিটার্ন সহ টিকেট করে আসলাম।

সুন্দরবন ট্যুরের নানা প্রিপারেশন নিচ্ছি আর, দিনক্ষন গুনছি কবে যাবো লাউয়াছড়া বনে আর, চা বাগানের স্বর্গের সুবাসে হারিয়ে যেতে। শ্রীমঙ্গল মূলত মৌলভীবাজার জেলার একটি উপজেলা যা সিলেট সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিনে। এ উপজেলার মোট আয়তন ৪২৫ দশমিক ১৫ বর্গকিলোমিটার যার অধিকাংশ চা বাগান।

নূরজাহান টি এস্টেট এর মায়াময় রুপ

অক্টোবরের ১২ তারিখ রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আমাদের ট্রেন উপবন এক্সপ্রেস ছাড়বে কমলাপুর থেকে। ৯ টার দিকে সবার আগে গিয়ে অপেক্ষা করা শুরু করি। চট্রগ্রাম থেকে দিহান যদিও আমার আগে এসে বসে ছিলো। আসতেই ওর সাথে আর অভির দেখা হয়ে গেলো।প্ল্যাটফর্মে যেয়ে দেখি ট্রেন ১ ঘন্টা আগে থেকেই লাইনে। বগি খোজে বের করে ব্যাগ পত্র রাখলাম। এরপর একে একে সবার আসা শুরু হলো। ৯টা ৫০ বাজতেই সময়মতোই ট্রেন ছেড়ে দিলো। এয়ারপোর্ট স্টেশনেও আমাদের ৪-৫জন উঠলো। সবাইকে যার সিট বুঝিয়ে দিয়ে ট্রেনে উঠে আমার প্রথম কাজ দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছুটে চলে দেশটাকে দেখা।

খুব দ্রুতই সময় কেটে যেতে লাগলো। রাতের ভ্রমণের একটাই অসুবিধা আশেপাশের মনোরম দৃশ্যগুলো উপভোগ করা যায় না। এছাড়া সবই সুবিধা। আখাউড়া স্টেশনে পাড় হয়ে এক জায়গায় নামলাম সেখানে নানা ফল, এটা সেটা খেয়ে সবাই পেট ভরিয়ে ফেললাম।

রাত ৩টায় ট্রেন আমাদের শ্রীমঙ্গল স্টেশনে নামিয়ে দিলো। তারপর কেউ ওয়েটিং রুমে, কেউ বা, বেঞ্চিতে বসে আড্ডা মেরে সকাল বানিয়ে দিলাম। স্টেশনটা আর দশটা সাধামাটা স্টেশনের মতোই। তবে একটা পুলিশ বক্স আছে, ১জন ডিউটিরত পুলিশও দেখলাম। স্টেশনের পাশে ২-৩টা ছাপড়া হোটেলে গরম পরোটা ভাজতেছে দেখে হাফ ডজন পরোটা চালান করে দিলাম আমি আরাফাত আর রবিনহুড মিলে।

সকালের খাওয়া দাওয়া নিয়ে ব্যস্ত সবাই

ভোর হওয়ার পর আমাদের চান্দের গাড়ি সহ দিপন ভাই হাজির হয়ে গেলেন। পানসিতে ভূনা খিচুড়ি আর, ওদের সনামধন্য চা খেয়ে রওনা দিলাম লাউয়াছড়ার উদ্দেশ্যে। সকাল সকাল টিকেট কাউন্টারও ওপেন হয়নি তাই দারোয়ান ই টাকা রেখে ঢুকতে দিলো। লাউয়াছড়া তিনটা ট্রেইল। একটা  আধ ঘন্টার একটা একটা-দেড় ঘন্টার আর একটা প্রায় তিন ঘন্টার। আমরা ঘন্টা তিনেকেই মোটামুটি বিশাল বনের অধিকাংশ ট্রেইলেই ঘুরাঘুরি করলাম।

এক্সপ্লোরিং লাউয়াছড়া উদ্যান

দারুন একটা ঝিরি পথ আর স্বচ্ছ পানি পেয়ে সেখানেই প্রায় ঘন্টাখানেক কাটিয়ে দিলাম আমরা। তারপর ফিরে এসে টিকেট বুঝে নিয়ে গাড়িতে করে রওনা দিলাম মাধবকুন্ড লেকের পথে। নূরজাহান টি এস্টেট এর মধ্যে দিয়ে দারুন পিচ ঢালা রাস্তায় শা শা করে গাড়িয়ে এগিয়ে চললো আর ছাদে বসে অসাধারন চা বাগানের সবুজের সমারোহে হারিয়ে গেলাম আমরা। এর মাঝে এক জায়গায় নেম কিছুক্ষন ফটোসেশন চললো। দিপন ভাই এই ফাকে গাড়ির এক চাকায় সমস্যা হওয়ার চাকাটা পালটে নিলো।

নূরজাহান টি এস্টেট এর ইট বিছানু রাস্তা

ঘন্টা দেড়েক এর মধ্যে ৫-৬ টা চা বাগানের মধ্যে দিয়ে আমরা চলে আসলাম মাধবকুন্ড লেকে। গেট থেকে মাত্র ২ মিনিট এর পথ। গেটে বাগানের চা বিক্রি করে চাইলে কিনে নিতে পারেন। লেকে প্রবেশ করার সময় কেয়ারটেকার গোছের একজন আমাদের সাথে এলো ঘুরিয়ে দেখাবে বলে। জানি টিপস দিতে হবে আর এটা ঘুরিয়ে দেখানুর ও কিছু নেই তবু যেখানেই যাই এলাকায় কেউ এগিয়ে এলে সাথে নেই। একটাই কারন এদের মুখের দারুন সব গল্প শোনা যায়, এদের ইতিহাস শোনা যায়, এদের নিজেদের মনের কষ্টগুলোও শোনা যায়।

মনমুগ্ধকর মাধবকুন্ড লেক

মাধবকুন্ড লেক প্রায় ৩ সাড়ে কিলো বড় তাই পুরোটা শেষ করলাম না আমরা। মনে হয় কেউ ই করে না। তবে চা বাগান চারিদিকে আর মাঝখানে বিশাল একটা লেক দারুন এক সৌন্দর্য। লেকে নাকি মাছ ধরা হয় না, কেউ গোসল ও করে না। প্রচন্ড কাদার স্তর পানির নিচে তাই আর নামলাম না পানিতে। একটা অংশে চক্কর মেরে সবাই আবার গেটে এসে গাড়িতে করে রওনা দিলাম বর্ডার এর উদ্দেশ্যে। বর্ডার দেখা মূল উদ্দেশ্যে না তবে একই পথে ফিরবো না বলে ঘুরপথে রওনা দিলাম।

মাধবকুন্ড থেকে শ্রীমঙ্গল ফেরার সময়

ঘন্টা দুয়েক গাড়ি চললো এর মাঝে বৃষ্টি শুরু হলো। প্রায় সব গুলো চা বাগান ই দেখেছি আমার বিশ্বাস। গাড়িতে করে মাইলের পর মাইল চা বাগানের পিচ ঢালা মসৃন রাস্তায় যেনো আবেশে ঘুম এসে যাবে এমন অবস্থা। প্রায় তিনটার দিকে পাচ ভাইয়ে নেমে দুপুরের খাবার খেতে বসলাম। খাবার বিশেষ কিছু না, মুরগীর রোস্ট, ৫-৬ পদের ভর্তা ভাজি, ঘন ডাল, চিকন চালের ভাত, সালাদ। খাওয়া দাওয়া সেরে কিছুক্ষন আলসেমি করে রওনা দিলাম শীতেষ বাবুর চিড়িয়াখানা দেখতে। এখানে বেশ শখানেক বিভিন্ন প্রানী আছে। খারাপ লাগলো না, তবে আমাদের চেয়ে বাচ্চাদের প্রিয় জায়গা এটা।

দুপুরের খানাদানা

সারাদিনের ক্লান্তি আর, নির্ঘুম রাত কাটানুর দরুন আলসেমি ভাব চলে আসলো সবার মাঝে। গাড়িতে এদিক সেদিক না ঘুরে তাই চলে গেলাম বাংলাদেশ চা গবেষনা কেন্দ্রে। দারুন এক জায়গা। পুরোটা দেখিনি আমরা সামনেই ছবি তুলে কিছুক্ষন ঘুরে নীলকন্ঠ কেবিনে চা খেতে চলে আসি। বিখ্যাত সাতরংয়ের চা কারো কাছে পদের লাগে নাই। তবে চেখে দেখলো সবাই। এরপর দিপন দা কে বিদায় করলাম আর আমরা কেবিনে বসে আড্ডা পিটালাম ডিনার অব্দি। ডিনার করলাম আবার পাচ ভাই হোটেল। এবার গরম গরম চিকেন বিরিয়ানি তৃপ্তি সহকারে খেয়ে স্টেশনে চলে আসলাম। কিছুক্ষন পরই ট্রেন আসলো তারপর ঢাকার উদ্দেশ্যে ঝিমুতে ঝিমুতে রওনা দিলাম।

চা গবেষনা কেন্দ্রের কার্পেটে

কোথায় কোথায় যাবেন / ট্যুর প্ল্যানঃ 

ট্রেনে আসলে রাত ৩টায় উপবন এক্সপ্রেস শ্রীমঙ্গল নামিয়ে দিবে। স্টেশনে বিশ্রামাগার আছে সেখানে বা, বাইরে বেঞ্চিতে শুয়ে বসে রেস্ট নিতে পারেন। পাশেই ছোট হোটেল আছে ক্ষিদা লাগলে কিছু খেয়ে নিতে পারবেন। ৫ টা বাজলেই চান্দের গাড়ির লোকজন পাবেন তাদের সাথে দরদাম করে গাড়ি ভাড়া করতে পারেন যদি আগে না নিয়ে থাকেন।

৬ টার দিকে পানসিতে চলে যান নাস্তা করতে। ৫মিনিট লাগবে যেতে। অবশ্যই খিচুড়ি আর চা খাবেন। দুটাই পানসির বিখ্যাত। ৭ টার মধ্যে গাড়ি ছেড়ে দিন। প্রথমেই চলে যান লাউয়াছড়া উদ্যান। সকাল বেলা বিশাল এক বনের মধ্যে গা ছম ছম করেও  উঠতে পারে। গাছের ফাকে ফাকে সূর্যের আলো ভেদ করে মাটিতে পরার দৃশ্য দেখতে পাবেন। মাকড়শা, বানর, অল্পকিছু পাখি ছাড়া বলার মতো কিছু প্রাণী দেখতে পাইনি তবে সবগুলো ট্রেইলই শেষ করেছি ৩ ঘন্টায়।

এরপর গাড়ি নিয়ে নুরজাহান টি এস্টেট এর মাঝে দিয়ে চলে যান মাধবপুর লেকে। পথে অবশ্যই সুন্দর জায়গা দেখে থামিয়ে ছবি তুলতে পারেন, চা বাগান ঘুরেও দেখতে পারেন। তবে অবশ্যই দেরি করবেন না। মাধবপুর লেকে যেয়ে লেকটি পুরো ঘুরে দেখা সম্ভব না কারন প্রায় সাড়ে তিন কিলো জায়গা নিয়ে লেক। ঘন্টাখানেক ই যথেষ্ট এখানে। লেক থেকে বিদায় নিয়ে গাড়ি নিয়ে শ্রীমঙ্গল শহরের দিকে আসবেন অন্য একটি ঘুর পথে বর্ডার বা, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ বললেই চিনবে।

এখানে এসে বর্ডার দেখে যেতে পারেন সময় থাকলে। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মতিসৌধ ও দেখে যেতে পারেন। এই পথ দিয়ে শহরে ফিরলে ফিনলে চা বাগান সহ প্রায় ১৫-২০ টি চা বাগান ঘুরে দেখে যেতে পারবেন। দুপুরের খাবার ৩টার মধ্যে শেষ করে চলে যান শীতেষ বাবুর চিড়িয়াখানায়। এখানে ৩০ মিনিটের বেশি সময় দেয়ার কোন দরকার নেই। ৪ টার মধ্যে চা গবেষনা কেন্দ্রে চলে যান। দেরিতে গেলে আর ঢুকতে পারবেন না।

এখানে ঘন্টা ২ ঘুরে সন্ধ্যার আগে আগে নীলকণ্ঠ চা কেবিনে চলে আসুন। চা অর্ডার করে ত্রিশ মিনিট আড্ডা দিন এর মধ্যে চা চলে আসবে। সারাদিনের ক্লান্তি এই চা খেয়ে কমবে না বরং বেড়ে যেতে পারে। কারন, খেতে খুবই খারাপ লেগেছে। এখানে নাস্তা ও করতে পারবেন। তারপর বাসস্ট্যান্ড গিয়ে বাসে উঠলে রাত ১১টার মধ্যেই ঢাকা ফেরত যেতে পারবেন।

আর, যাদের আরো ১দিন প্ল্যান থাকবে তারা অবশ্যই হোটেলে গিয়ে ঘুম দিন। দ্বিতীয় দিন ঘুম থেকে উঠে নাস্তা সেরে চলে যান বাইক্কা বিল। শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার সড়ক ধরে কালাপুর বাজার পার হয়ে বরুণা-হাজিপুর রাস্তা দিয়ে হাজিপুর বাজার চলে যাবেন; সেখান থেকে ৩/৪ কিমি পায়ে হেটে বা, মোটরসাইকেলে চেপে বাইক্কা বিল। হাজিপুর বাজার থেকে চাইলে গাইডও নিয়ে নিতে পারেন। এই বিলটি হাইল হাওরের প্রাণ। পাখির কলতানে সারাদিনই বিলটি জীবন্ত থাকে আর তাই পাখি দেখার জন্য এখানে তিনতলা বিশিষ্ট একটি ওয়াচটাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। দূরবীণ দিয়ে পাখি দেখার সুযোগও পাবেন এখানে।

এছাড়াও হাইল-হাওর, শংকর টিলা, গরম টিলা, ডিনস্টন সিমেট্রি, মনিপুরী তাঁতশিল্প, নির্মাই শিববাড়ী, ভাড়াউড়া লেক, হামহাম জলপ্রপাত দেখে নিতে পারেন (হামহাম দেখতে আসলে সেরকম প্রিপারেশন নিয়ে আসতে হবে) তাছাড়া খাসিয়া, মনিপুরী, টিপরা, গারোসহ আরো অনেক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বাস এখানে। এসব নৃ-তাত্নিক জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র জীবনযাপন আর ভিন্ন সংস্কৃতি দেখে আপনি মুগ্ধ হবেন।

কোথায় থাকবেনঃ 

শান্তি বাড়ি রিসোর্ট। আমার মতে শ্রীমঙ্গলে থাকার শ্রেষ্ঠ জায়গা এটি। শহর থেকে ৫ কি:মি: দুরে রাধানগরের গ্রামীন পরিবেশে গড়ে উঠেছে অসাধারন সুন্দর এই ইকো কটেজ। ভাড়া ২০০০-৩০০০ টাকার। ফোন করে বুকিং করে যেতে হবে। যোগাযোগ ০১৭১৬-১৮৯২৮৮ (লিংকন)

নিসর্গ ইকো কটেজ। এখানে লিচুবাড়ি এবং রাধানগড় এ দুজায়গায় মোট কটেজ আছে ৭ টি। ভাড়া ২০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা। যোগাযোগ ০১৭১-৫০৪১২০৭ (জনাব শামসু)

হারমিটেজ রিসোর্ট। রাধানগর গাছপালা ঘেরা একটি খালের ঠিক ওপরেই চাৎকার এ গেষ্ট হাউজটির অবস্থান। এখানে থাকলে পানি প্রবাহের শব্দ শোনা যায় রাতের বেলা। এদের একটি লাইব্রেরীও আছে ঠিক খালের পাড় এ। মুল ভবনে রুম আছে ৪ টি ভাড়া ৫০০০, ৪৫০০ এবং ৩৫০০ করে। থাকা যাবে ২-৩ জন প্রতি রুমে। এছাড়া রয়েছে ৩ রুমের কটেজ প্রতিটির ভাড়া ৩০০০ টাকা করে। যোগাযোগ ০১৯৩-২৮৩১৬৫৩ (ফারুক)

টি রিসোর্ট, ভানুগাছ রোড। শ্রীমঙ্গলে থাকার অন্যতম সেরা জায়গা এটি। বাংলাদেশ টি বোর্ড পরিচালিত এ রিসোর্ট এ অনেকগুলো কটেজ রয়েছে। দুই রুমের একটি কটেজের ভাড়া ৫১৭৫ টাকা। ২ জন থাকার মতো ১ রুমের কটেজের ভাড়া ২৮৭৫ টাকা। যোগাযোগ ০১৭১-২৯১৬০০১ (অরুন)

গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট। শ্রীমঙ্গলের একমাত্র ফাইভ ষ্টার রিসোর্ট। বুকিং : ৯৮৭৯ ১১৬১

এছাড়া আরেকটু কম খরচে যদি থাকতে চান তবে থাকতে হবে শহরের মধ্যের হোটেলগুলোতে উঠতে পারেন।

হোটেল টি টাউন : ০১৭১৮-৩১৬২০২
হোটেল প্লাজা : ০১৭১১-৩৯০০৩৯
হোটেল ইউনাইটেড : ০১৭২৩-০৩৩৬৯৫

খরচাপাতিঃ

ট্রেনে যাওয়া আসা শোভন চেয়ার ২৪০ টাকা করে ৪৮০/=
চান্দের গাড়ি ভাড়া সারাদিনের জন্য ২৫০০ টাকার মধ্যে পাবেন (১০-১১জন যেতে পারবেন)
নাস্তার জন্য ১০০ টাকা, লাঞ্চ এবং ডিনার ২৫০ করে ৫০০ টাকা (যদি পানসি / পাচভাই হোটেলে করেন)
নীলকন্ঠ চা কেবিনে চা ৭০ টাকা
লাউয়াছড়ায় টিকেট ৫০ টাকা জনপ্রতি
মাধবপুর লেকে প্রবেশ ফ্রি।
টি মিউজিয়াম / টি-বোর্ড/ টি রিসার্চ সেন্টার প্রবেশ ফ্রি
শীতেষ বাবুর চিড়িয়াখানা ২০ টাকা প্রবেশ ফি।

অন্যান্য সকল খরচ সহ ১৫০০ টাকার মধ্যে সহজেই ঘুরে আসতে পারবেন শ্রীমঙ্গল। তবে, অতিরিক্ত অর্থ সাথে রাখবেন কারন অতিরিক্ত খরচ ট্যুরে গেলে হয়েই থাকে। একটু সর্তকভাবে খরচ করলে অতিরিক্ত খরচ এরাতে পারবেন।


ভ্রমন সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্ন / তথ্য / ট্যুর প্ল্যানের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ছুটি ট্রাভেল গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। ছুটির সব মেম্বার খুবই হেল্পফুল, সুন্দর একটি ট্যুরের জন্য সকল হেল্প এখানে পাবেন। এছাড়া আমি ছুটির সাথে প্রতিমাসেই ট্যুর দিয়ে থাকি চাইলে ছুটির ইভেন্টেও জয়েন করতে পারেন। ছুটি একটি ফ্যামিলি ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল গ্রুপ তাই নিশ্চিন্তে যেতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্তে। 

ফেসবুক গ্রুপ – ছুটি ট্রাভেল গ্রুপ (https://fb.com/groups/ChutiTravelGroup)

মন্তব্যসমূহ / আলোচনা