Travel Abroad

ইন্ডিয়ান ভিসার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত

on
December 12, 2017

কিছুদিন আগেই ইন্ডিয়ান ভিসা করালাম নিজের জন্য। ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট দিয়ে এপ্লাই করেছিলাম ১ বছরের টুরিস্ট ভিসা পেয়েছি। যাদের এনডোর্সমেন্ট ঝামেলা মনে হয় তারা ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট দিয়ে এপ্লাই করতে পারেন। যা যা ডকুমেন্ট’স লাগবে আমি নিজে উল্লেখ্য করে দিচ্ছি।

১/ ২ পেজের ভিসা ফর্ম অনলাইনে ফিলাপ করে প্রিন্ট করবেন।
২/ ৩৫০* ৩৫০ পিক্সেল এর সফট কপি ছবি লাগবে। আর, ২*২ ইঞ্জি প্রিন্টেড ছবি লাগবে।
৩/ পাসপোর্ট অন্তত ৬ মাসের মেয়াদ সহ।
৪/ ন্যাশনাল আইডি/ বার্থ সার্টিফিকেট (যেটি দিয়ে পাসপোর্ট করেছেন সেটাই লাগবে)।
৫/ গ্যাস / পানি / বিদ্যুৎ বিলের অরিজিনাল কপি।
৬/ ব্যাংক থেকে নেয়া অরিজিনাল ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট (সর্বেশেষ ব্যালেন্স ২০,০০০ টাকা সহ)
৭/ ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স, ছাত্র হলে আইডি কার্ড, চাকুরিজীবি হলে এনওসি পেপার।
৮/ নাগরিকত্ব সনদ। (অনেক সময় নেয় না)।

কিছু নির্দেশনাঃ

১/ বার বার ভিসা ফর্ম চেক করে ফিলাপ করবেন। ভুল হলে প্রতি ভুলে ৩০০ টাকা জরিমানা নেবে আইভ্যাকে।
২/ শ্যামলি আইভেক থেকে করালে কোন ইটোকেন লাগবে না। সকাল ৭টায় গিয়ে সিরিয়ালে দাড়াবেন।
৩/ আইভেকে ঢুকার পর সিরিয়াল অনুযায়ি কাগজ গুলো সাজিয়ে নিবেন ওরাই ইন্সট্রাকশন দিবে।
৪/ সব কাগজের মেইন কপি নিয়ে যাবেন যেটা ইচ্ছা ওরা দেখতে পারে বা, রেখে দিতে পারে।
৫/ ভিসা পোর্ট হরিদাশপুর, গেদে, রেল, এয়ার, ফ্রি পাবেন। এগুলা ছাড়া অন্য পোর্ট সিলেক্ট করবেন। দার্জিলিং হলে চ্যাংরাবান্দা আর শিলং যেতে চাইলে ডাউকি। আসা ও যাওয়ার পোর্ট সেম দিবেন, আলাদা নয়।
৬/ ভারতীয় রেফারেন্স ফিল্ডে যেখানে ভ্রমণ করবেন সেখানকার একটা হোটেলের নাম, নং দিয়ে দিন।
৭/ প্রতিটা কাগজের ৫-১০ কপি করে ফটোকপি করে রাখবেন।
৮/ যত জায়গায় ছবি ব্যবহার করবেন সব এক হতে হবে। তাই সদ্য তোলা ছবি স্ক্যান করে অনলাইন ফর্মে দিবেন। সেটার প্রিন্ট কপি ২*২ ইঞ্জি করে প্রিন্ট করে ফর্মে লাগাবেন আঠা দিয়ে। পুরাতন ছবি দিবেন না।
৯/ ছবি তুলবেন এমন ভাবে যাতে ২ কান দেখা যায়। নয়তো রিজেক্ট।
১০/ ডলার এনডোর্স করে ভিসা করাতে চাইলে অবশ্যই পরিচিত ব্যাংক থেকে করান যাতে ডলার না কিনতে হয়। অন্যথায় ডলার কিনে এনডোর্স করতে হবে যেটা ব্যয়সাপেক্ষ। পরিচিত ব্যাংক অফিসার দিয়ে করালে ডলার না কিনেও করা যায়।
—–

ক্রেডিট কার্ড / একুয়া কার্ড দিয়ে এন্ডোর্সমেন্ট করলেঃ 

১/ কার্ডের দুই পাশের ফটোকপি করতে হবে এক পাতায়।
২/ কার্ডের সামনের অংশে ১৬ ডিজিটের প্রথম ৬ ডিজিট আর শেষ ৪ ডিজিট ছাড়া বাকিগুলো মুছে দিতে হবে।
৩/ কার্ডের পেছনের অংশে ৩ জিডিটের সিভিসি কোড আছে সেটা পুরোপুরি মুছে দিতে হবে।
৪/ পাসপোর্টের যে পেজে ওই কার্ডের এনডোর্সমেন্ট সিল আছে ব্যাংকের সেই পেজের ফটোকপি।


ভ্রমন সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্ন / তথ্য / ট্যুর প্ল্যানের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ দি ব্যাকপ্যাকার’স কমিউনিটিতে জয়েন করতে পারেন। 

TAGS

মন্তব্যসমূহ / আলোচনা