Stories

ফিলিপ ফ্রম পর্তুগাল

on
November 14, 2017
পরিচয় পর্ব – শুরুর গল্প, ফিলিপ পর্তুগালে বাংলাদেশ এম্বাসিতে আছে বর্তমানে। দেশে কাজে ও আসছে আর, ইউনেস্কো হেরিটেজ সাইট গুলোও দেখবে প্ল্যান করেছে। সেই সুবাদে সুন্দরবনে আমাদের ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে আসে। যাই হোক প্রথম দেখায়,
 
– হেই ফিলিপ।
– কি হইসে?
– নো, নাথিং, ইয়ে মানে!! :O :O … (বাংলা শুনে আমি থতমত)
 
(কিঞ্চিত পরেই শীপের রেলিং এ দাঁড়িয়ে আছে, আমি ভাবলাম আমার পাশে আসতে বলি কওয়া তো যায় না উষ্টা মুষ্টা খাইলে পরে আবার বিপদ) তাই আবার বললাম,
 
– ফিলিপ প্লিজ কাম টু মাই সাইড
– সমইস্যা নাই (একদম পরিষ্কার বাংলায়)
 
আমি আবারো থতমত আর, দাত কিটমিট করে কইলাম যা ব্যাটা তোর সাথে আর ইংলিশ গিরি ফলাবো না। ওর জানা কয়েকটা বাংলা শব্দ একদম সঠিক জায়গায় প্রথমেই ফলায় দিলো। আর, এই বাংলাপ্রীতি’তেই মাত্র মিনিটে খানেক এর মধ্যে ভদ্রলোক আমার মন জয় করে নিলো।
 
২জন নেদারল্যান্ড বাসিকে আমার শীপে আমার পাশের কেবিনেই রাখি। তবে ফিলিপ কে দেই তাহমিদ ভাইদের সাথে দ্বিতীয় শীপে(গাংচিলে)। সে কারনে সবসময় তার সাথে আড্ডা মারতে না পারলেও সল্পসময়েই সে তার রসবোধের পরিচয় দিয়ে গেছে।
 
আর, শান্তুনু ভাইরা তো আর এক কাঠি সরেস, তাকে কেনো ২য় শীপে দেয়া হইছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছে, “অন্য শীপের মেয়েরা তোমাকে দেখে প্রেমে পরে যেতে পারে, এজ ইউ আর সো স্মার্ট, তাই তোমাকে আমাদের শীপে রাখা হইছে।” হাহাহা!!
 
অনেক গল্প জমা হয়েছে! সামান্য স্টাটাসে সেসব মুহুর্তগুলো লেখনির মাধ্যেমে জীবন্ত করার মতো ক্ষমতাবান আমি নই। ভালো থেকো ফিলিপ, দেখা হয়ে যাবে হয়তো আবারো এই বাংলায় নয়তো তোমার কিশ্চিয়ানোর দেশে।
 
সুন্দরবন, বাংলাদেশ
১৩/১১/২০১৭

ভ্রমন সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্ন / ইনফরমেশন লাগলে আমাকে ফেসবুকে নক করতে পারেন। অথবা, আমার ফেসবুক ট্রাভেল গ্রুপ “ছুটি ট্রাভেল গ্রুপ” এ পোস্ট করলে আমাদের সহযোগিতা পাবে। 

TAGS

মন্তব্যসমূহ / আলোচনা