Mh Mehedi

Open Source Enthusiastic and Linux System Administrator

Category: Fav Writings

সফো এবং আমাদের চিত্র-বিচিত্র, কারুশিল্প কাহিনী

জনমেজয় কহিলেন, ‘মহর্ষে, আপনি কহিলেন বিংশ শতকের অন্তিম ভাগে সফটওয়্যার ইঞ্জিনীয়ার নামক এক অদ্ভুত জীবের প্রাদুর্ভাব হইবে। ইহারা পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়া কী করিবে তা জানিতে বড় কৌতূহল জন্মাইতেছে।’
বৈশম্পায়ন কহিলেন, ‘হে নরবর, আমি এক্ষণে সেই বিচিত্রবুদ্ধি, স্বার্থপর, পলায়নকুশলী সফট্ওয়্যার ইঞ্জিনীয়ারদের আখ্যাত করিব। আপনি শ্রবণ করুন। বর্ণনার সুবিধার্থে আমি ইহাদের এক্ষণ হইতে সফো বলিয়াই উল্লেখ করিব।’
‘যাহারা কর্মক্ষেত্রে প্রভাতে কফি পান করিবে, অপরাহ্নে চ্যাট করিবে এবং সায়াহ্নে ঊর্দ্ধতনকে গালিদানপূর্বক আপনার কর্ম সম্পাদন করিবে, তাহারাই সফো। যাহারা শৈশব কনভেন্ট স্কুলে, যৌবন ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজে এবং অকালবার্ধক্য আপিসে অতিবাহিত করিবে, তাহারাই সফো।’
‘কর্মক্ষেত্রে ইহাদের প্রভুরা ইহাদিগকে পিঞ্জরসদৃশ স্থানে বন্দী করিয়া রাখিবেন। সেই স্থানের নাম …

নিরন্তন সফটওয়্যার ভাবনা

আমি আর পল এ্যালান তখন ছিলাম মাত্র কলেজ কিড। আমরা এই দুই জনে মিলে আমার ছোট্ট ঘরটিতে বানিয়ে ফেললাম প্রথম সফটওয়্যার যা মাইক্রো-কম্পিউটারে চলতে পারে। পল আমাকে একটি জনপ্রিয় গল্পের কথা বলেছিল; যাতে ছিল এমন একটি সময়ের কথা যখন প্রতিটি ঘরে ঘরে একটি করে কমপিউটার থাকবেই। আর তখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবো এই সফটওয়্যার দিয়েই।

ব্যস, এভাবেই তৈরী হয়ে গেল মাইক্রোসফট। আমাদের কাজকর্ম ছিল একেবারেই সাধাসিধে, আমি আর পল; কোক আর পিজা ভালবাসতাম আর কাজ করতাম। কেউ আমাদের খুব একটা পাত্তাও দিত না। একমাত্র পলই ছিল আমার সহকর্মী। কিন্তু পরিস্থিতিটা আজ একটু যেন পাল্টে গেছে। যদিও এখন …

মন ঠিক জানে তুমি কী হতে চাও : স্টিভ জবস

স্টিভ জবস ১৯৭৬ সালের দিকে বন্ধু স্টিভ উজনেককে নিয়ে ‘অ্যাপল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করেন। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি জগতে বিপ্লব ঘটিয়ে দেন পারসোনাল কম্পিউটার বা পিসি ধারণা প্রতিষ্ঠা করে। এর আগে সাধারণ মানুষের কম্পিউটার বিষয়ে খুব স্বচ্ছ ধারণাও ছিল না। কিন্তু স্টিভ জবসের পিসি মানুষের ধারণাকেই পাল্টে দেয়। এই কম্পিউটারের নাম তিনি দেন ‘অ্যাপল’।

মূলত এর পরই সাধারণের কাছে পৌঁছতে থাকে কম্পিউটার। গড়ে ওঠে অনেক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান।  কিন্তু দুঃখজনকভাবে স্টিভ জবস ১৯৮৫ সালের দিকে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহীর পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। তবে ভেঙে না পড়ে পরে তিনি অ্যানিমেশন স্টুডিও পিক্সার প্রতিষ্ঠা করেন।

তবে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে স্টিভ এখনো তথ্যপ্রযুক্তি জগতে

Powered by WordPress & Theme by Anders Norén