Mh Mehedi

Open Source Enthusiastic and Linux System Administrator

Month: September 2011

জনৈক ফ্রিল্যান্সের সহিত সাক্ষাত এবং তার কিছু টিপস

ঘুরতে ঘুরতে একদিন একজন সফল ফ্রিল্যান্সার এর সহিত দেখা হয়ে গেল। তারপর কি আর তারে ছাড়া যায় !!  কিছু টিপস পেলাম তার কাছ থেকে। তাই ভাবলাম একটু শেয়ার করি সবার সাথে।

১। প্রথম যখন বিড করবেন ডলার এর দিকে তাকাবেন না। তাইলে আর জব পেতে হবে না। কারন আপনার থেকে অনেক এক্সপার্ট এবং ২০০-৩০০ আওয়ার জব করা কন্ট্রাক্টরা ও ওই জব এ বিড করবে। তাই রেট লো রাখুন।

২। আপনি কিসে আগ্রহী সেটা নির্ধারন করুন। ডিজাইনিং/ ওয়েব ডেভলাপ/ এস ই ও/ প্রোগ্রামিং/ অন্য কিছু ?? যেটাই করেন যেকোন ১ টা / সর্বোচ্চ ২ টা বেছে নেন। কোন কাজে এক্সপার্ট হলে …

মজার কিছু ফেসবুকের স্টাটাস (কিছু আমার + কিছু চুরি করা)

আর একটা স্টাটাস ও হারিয়ে যেতে দিবো না ইনশাল্লাহ ……

নং -১

ছাত্রজীবন
১সর্বাধিক জ্বালাময় মুহুর্ত: মর্নিং এলার্ম এ ঘুম ভাঙ্গা
২.সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যাত্রা: ক্লাসের পথে যাত্রা
৩.সবচেয়ে আনন্দদায়ক সময়: বন্ধুর সাথে আড্ডা
৪.সবচেয়ে দুঃখজনক খবর: পরীক্ষা কাছিয়ে আসা
৫সবচেয়ে আনন্দের সংবাদ: শিক্ষক অনুপস্থিত থাকা
৬.সর্বাধিক serious হওয়া : পরীক্ষা হল থেকে বের হয়ে (নতুন ভাবে পড়াশুন শুরু করতে হবে
৭.সবচেয়ে সময় ব্যয় যে ভাবনায় : আজ থাক, কাল থেকে কোপাইয়া পড়ুমু

নং-২

সাধুবাবা তার অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য। উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।

তা দেখে একজন বলল, …

মন ঠিক জানে তুমি কী হতে চাও : স্টিভ জবস

স্টিভ জবস ১৯৭৬ সালের দিকে বন্ধু স্টিভ উজনেককে নিয়ে ‘অ্যাপল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করেন। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি জগতে বিপ্লব ঘটিয়ে দেন পারসোনাল কম্পিউটার বা পিসি ধারণা প্রতিষ্ঠা করে। এর আগে সাধারণ মানুষের কম্পিউটার বিষয়ে খুব স্বচ্ছ ধারণাও ছিল না। কিন্তু স্টিভ জবসের পিসি মানুষের ধারণাকেই পাল্টে দেয়। এই কম্পিউটারের নাম তিনি দেন ‘অ্যাপল’।

মূলত এর পরই সাধারণের কাছে পৌঁছতে থাকে কম্পিউটার। গড়ে ওঠে অনেক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান।  কিন্তু দুঃখজনকভাবে স্টিভ জবস ১৯৮৫ সালের দিকে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহীর পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। তবে ভেঙে না পড়ে পরে তিনি অ্যানিমেশন স্টুডিও পিক্সার প্রতিষ্ঠা করেন।

তবে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে স্টিভ এখনো তথ্যপ্রযুক্তি জগতে

বাংলা কম্পিউটিং আসলে কি

বাংলা কম্পিউটিং বলতে আমরা স্বাভাবিকভাবে বুঝি কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ বাংলায় করতে পারা। লেখা – পড়া তো থাকবেই, সেই সাথে ফাইলের নাম, ডাটাবেইজ, অনুসন্ধান জাতীয় জটিল কাজ করতে পারা যাবে অনেক সহজেই। আজ আমরা সেটা করতে পারি পৃথিবীর অন্য সব ভাষার পাশাপাশি।

ভারত উপমহাদেশের ভাষাগুলিকে কম্পিউটার বোদ্ধারা নাম দিয়েছেন “জটিল ভাষা” (Complex Language) এবং বাংলা ভাষা সেই গোষ্ঠির একটা সদস্য হওয়ায় কম্পিউটারে এই ভাষা স্থাপন করাতে অনেক কাঠ-খঁড় পুড়তে হয়েছে। কম্পিউটারে যে-কোনো ভাষার বহুমুখী ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট গঠন। যেমন: আপনি যদি QWERTY কি-বোর্ড ব্যবহার করেন (আমরা প্রতিদিনের ব্যবহারে যে ইংরেজী কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার করি) তাহলে যে কম্পিউটারেই বসেই কাজ

আমি কেন উবুন্টু নিয়ে লাফালাফি করি

ইদানিং আমি লিনাক্স; আরো সূক্ষ্ম করে বললে উবুন্টু নিয়ে বেশ মাতামাতি করছি। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করি উবুন্টু প্রচার করতে। এই প্রচার করতে গিয়েই টের পেলাম লোকজনের মধ্যে কিছু জিজ্ঞাসা বারবার ঘুরে ফিরে আসে- কেন আমি উবুন্টুর প্রচার করি? উবুন্টু কি আমাকে এজন্য পয়সা দেয়? যদি পয়সা না দেয় তাহলে এভাবে প্রচার করে আমার কি লাভ? মজার ব্যাপার হচ্ছে এই প্রশ্নগুলো কিন্তু কোন লিনাক্স ব্যবহারকারীর মনে আসেনা। যারা উইন্ডোজ বা মাইক্রসফটের পণ্য ব্যবহার করে তাদের মনেই প্রশ্নটা আসে। এইবার নিশ্চয়ই ধাক্কা খেলেন! “যারা উইন্ডোজ বা মাইক্রোসফটের পণ্য ব্যবহার করে” — এর মানে কি? সবাইতো উইন্ডোজ ব্যবহার করে! নাহ, সবাই উইন্ডোজ ব্যবহার করেনা; …

লিনাক্স ও ভাইরাসের সংক্ষিপ্ত জীবনী

অবশেষে উবুন্টুতে স্থায়ী হতে পেরে হাঁফ ছেড়ে বাচলাম। অন্তত এজন্য যে এই অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটলের পর পরই “your computer might be at risk” নামক বার্তাটা দেখায় না। বলে না এন্টিভাইরাস ইন্সটলের প্রয়োজনীয়তার কথা। কিন্তু বহুদিনের উইন্ডোজ ব্যাবহারের পর এরকম কথাবার্তা বিশ্বাস করতে মন চাইল না। আসলেই কি লিনাক্সে ভাইরাস হয় না বা নেই?

এই প্রশ্নটার সরাসরি উত্তর হ্যা এবং না দুটোই হতে পারে। সরাসরি উত্তরে যাবার আগে আমরা কম্পিউটার ভাইরাসের আক্রমনের দিকগুলো দেখি। সাধারনত ভাইরাসের আক্রমনের প্রধান শিকার হল আপনার আমার মত সাধারন হোম ইউজার রা। হোম ইউজের জন্য উইন্ডোজ নিঃসন্দেহে লিনাক্সের চাইতে অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং বালাই বাহুল্য যে …

Powered by WordPress & Theme by Anders Norén