HELPING SMALL BUSINESS
SUCCEED
It doesn't take a genius to start and build a successful business
LET ME SHOW YOU HOW
Domain Hosting

মেম্বার প্যানেল, ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল এবং হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল পরিচিতি

মেম্বার প্যানেল কি? কি করা হয় এখানে? 

মেম্বার প্যানেল হচ্ছে আপনার সব কিছুর কন্ট্রোল প্যানেল। আপনি কি কি প্রোডাক্ট ক্রয় করেছেন, কোণটার মেয়াদ কতদিন, কত টাকা পেমেন্ট করেছেন, কত টাকা আপনার বাকি আছে ইত্যাদি এক নজরে দেখতে পাবেন।
আমাদের ওয়েবসাইটের হোমপেজের মেম্বার লগিন বক্স হচ্ছে আপনার মেম্বার এরিয়াতে লগিন করার জন্য। নিচে স্ক্রীনশট দেয়া হলো।


ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল কি? কি করা হয় এখানে? 

ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেলে ডোমেইন এর মেয়াদ চেক করা, নতুন ডোমেইন অর্ডার করা, ডোমেইন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করা, ডোমেইন রিনিউ করা, নেমসার্ভার চেঞ্জ করা, ডোমেইন সিক্রেট কোড সংগ্রহ করা ইত্যাদি কাজ করা হয়।
আমাদের ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেলে লগিন করতে ভিসিট করুন এখানে (http://cp.dhrubohost.com)। আপনি যদি আমাদের কাস্টমার হয়ে থাকেন তাহলে ড্রপডাউনে কাস্টমার সিলেক্ট করুন। যদি রিসেলার হয়ে থাকেন তবে রিসেলার সিলেক্ট করুন।

হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল কি? কি করা হয় এখানে?

হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল কয়েক ধরনের হয়। যেমনঃ সিপ্যানেল, জেডপ্যানেল, প্লেস্ক ইত্যাদি। সবচেয়ে বেশি ব্যবহত প্যানেল হচ্ছে সিপ্যানেল। সিপ্যানেল এ আপনি আপনার ওয়েবসাইটের এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রীপ্ট, পিএইচপি ফাইল গুলো আপলোড করতে পারবেন, ডাটাবেস আপলোড করতে পারবেন। আপনার প্রয়োজনীয় মিডিয়া ফাইল সহ দরকারি সব ধরনের ফাইল আপনি হোস্টিং একাউন্ট এ রাখতে পারবেন। হোস্টিং একাউন্টে লগিন করতে আপনার ডোমেইন নেম এর পরে cpanel লিখলেই লগিন করার বক্স চলে আসবে। যেমনঃ http://yourdomain.com/cpanel. yourdomain.com এর জায়গায় আপনি আপনার ডোমেইন নেম লিখুন এবং ইউজার নেম পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

Read More
Thoughts

Path will learn you walking

প্রথম

ছোটবেলায় কলম খেলা ছিলো খুবই জনপ্রিয় খেলা। প্রায়ই ক্লাসের ১৫-২০ জন মিলে ক্লাস শুরু হওয়ার আগে টুর্নামেন্ট শুরু হইতো, টিফিন পিরিয়ড সহ একবারে শেষ ক্লাস পর্যন্ত চলত এই টুর্নামেন্ট। টান টান উত্তেজনা আর প্রতিদিন এক এক জনের কলমের বাহার ছিলো দেখার মতো। কারো গ্রিপ ওয়ালা কলম, কারো মোটা বাইট্টা কলম, কারো মন্টেক্স জেল পেন, কারো ১০ কালারে লেখা যায় এমন কলম। যার যা ছিলো তা নিয়েই ফাইট হইতো। মজার ব্যাপার হলো আমার ছিল সবচেয়ে সাধারন ইকোনো ডিএক্স পেন। এই ইকোনো ডিএক্স নিয়ে দুরু দুরু বুকে ফাইটে নামতে হতো। আমার ই দুর্বলতা শক্তিতে পরিনত হতো না কি হতো তা বলতে পারিনা, তবে কিসের জোরে যেন এই ইকোনো ডিএক্স নিয়েই ১৫-২০ জনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতাম।

দ্বিতীয়

সারা দেশে যতগুলো ক্যান্টনমেন্ট আছে সবগুলোতেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড হাই স্কুল নামে একটা করে স্কুল আছে। এই স্কুল গুলো পাশেই থাকে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ। বোর্ড স্কুল থেকে পাবলিক স্কুলের পড়াশোনার মান কয়েক গুন ভালো হয়। নিয়ম কানুন, শৃংখলা যা ই বলি না কেন সবদিক দিয়েই পাবলিক স্কুল এগিয়ে থাকে। আমার স্কুল ছিল বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড হাই স্কুল। ২০০৫-২০০৬ সালে এ+ ট্রেন্ড চালু হয়। ভালো ছাত্ররা তখন এ+ পায়। এ+ পেলেই সে যেন ধুম করে অনেক উপর লেভেলের ছাত্র হয়ে যায়। চলার পথে সবাই বেশ বাহবা দেয়। ঘরের বাবা / মা এ+ পাওয়া ছেলের নাম বলে গুনকীর্তন করে নিজের ছেলে মেয়েদের পড়াশোনায় উৎসাহীত করে। কিন্তু পাবলিক স্কুল থেকেও যা ৭০-৮০ জন এ+ পাইলো ‘০৬ ব্যাচে আমাদের স্কুল থেকে পেল মাত্র একজন কি দুজন। বড়ই হতাশাজনক ঘটনা। ‘০৭ এ আমার এস এস সি। টেস্ট পরীক্ষার রেজাল্ট যা মোটামুটি হলো তারপর ৩/৪ মাস বেশ ভালোভাবেই পড়াশোনা করে ‘০৭ এ আমি বাবা মায়ের সিল ওয়ালা এক্সামপল ছাত্র বনে যাই এ+ পেয়ে। ঘটনা শেষ।

তৃতীয়

ইউনিভার্সিটির ক্লাসমেটের কাছে ফটোগ্রাফি বিষয়ক ঝালাপালা কথা শুনতে শুনতে মনের মধ্যে কবে যে ফটোগ্রাফির বীজ বপন করেছিলাম তা আমার অজানা। সে একদিন ধুম করে একটা দামি ক্যামেরা কিনে বসল। আমি একটু হতাশ হলাম। এতো টাকা আমার নাই। তারপর অফার দিয়ে বসলো, চলো একসাথে ফটোগ্রাফি শিখি পাঠশালা থেকে। আমি আরো হতাশ। ব্যাটা কয় কি। ঢাল তলোয়ার ছাড়া যুদ্ধের ময়দানে যাইতে কয়। তারপর নয় ছয় চিন্তা করে ভর্তি হয়ে গেলাম। মাস দুয়েক নানা কিছু শিখলাম। তারপর যেন আর বাধ মানে না কবে ক্যামেরা কিনবো কবে ক্যামেরা কিনবো এই অবস্থায় দিন যেতে লাগলো। অন্যের ক্যামেরায় হাত দিয়ে মোটেও ভালো লাগতো না। মধ্যবিত্তদের এই এক জ্বালা। যাই হোক, মোটামুটি বছর খানেক অল্প অল্প করে বেশ কিছু টাকা জমিয়ে কিনে ফেললাম শখের ডিএসএলআর। তারপর থেকে চলছে আমার ফটোগ্রাফি যাত্রা। এক বছর অনেক সময়। অন্তত মন থেকে শখ মুছে যাওয়ার মতো যথেষ্ট সময় বৈকি।

চতুর্থ

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এ যখন ভর্তি হই তখন ২০১০। তখন না ছিল ক্লিক না ছিল ঘরে বসে বড়লোক হওয়ার অন্য কোন রাস্তা। ছাত্রবস্থায় টিউশনিই ছিল একমাত্র আয় রোজগারের মাধ্যম। কিন্তু এই টিউশনি জিনিসটা কোনদিনই করতে পারলাম না। আসলে মন থেকেও সায় দিতো না কেন জানি। প্রথম সেমিস্টার যাওয়ার পর অনলাইন শব্দ + জগতটার সাথে ভালো মতো পরিচিত হলাম। সমস্যা ছিলো আগ্রহ ছিলো প্রচুর কিন্তু তখন জানতাম না আসলে গুগুল থেকেই অনেক কিছু শেখা যায়। শেখার প্রবল আগ্রহ থেকেই নানা জনকে নক করতাম, প্রশ্নবান ছুড়তাম মোটামুটি। কিন্তু মাস না ঘুরতেই বুঝলাম আসলে মানুষ জন এতে বিরক্ত হয়। আর কেউ বিরক্ত হচ্ছে এটা ভেবে মানুষ জনকে জ্বালানু বন্ধ করে নিজেই নেমে পড়লাম। ওয়েব সম্পর্কে জানলাম, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে জানলাম, পড়লাম। ছোটখাট কিছু কাজ ও করলাম। ২০১০ সেপ্টেম্বর ১৪ ছিলো ওডেস্ক মার্কেটপ্লেসে আমার একাউণ্ট ক্রিয়েশন ডেট। ঠিক এক বছর পর তার মানে ২০১১ সেপ্টেম্বর ১৪ তারিখে প্রথম একটা প্রোজেক্ট সফল ভাবে শেষ করলাম। তারপর টানা দু বছর মার্কেটপ্লেস / মার্কেটপ্লেসের বাইরে মোটামুটি একশ / দেড়শ প্রোজেক্ট করি।

 

উপরের চারটি ঘটনাই ছোটবেলা থেকে আজকের আমি। ঘটনা গুলো লিখতে খুবই ইতস্তত লাগছিল। লেখার মাঝেও চিন্তা করছিলাম আর লিখবো কিনা। আসলে লেখা গুলো নিজেকে জাহির করা কিংবা খাটি বাংলায় ভাব জাতীয় কিছুর জন্য লেখিনি। নিজের থেকে আসলেই নিজেই শিক্ষা নিচ্ছি। প্রতিটি ঘটনার ই একটা বিষয়ে গভীর মিল হচ্ছে নিজের যা ছিলো তা নিয়ে হতাশ না হয়ে যুদ্ধ করা। ইকোনো ডিএক্স থেকে শুরু করে সাধারন একটি স্কুলে পড়া, আমার দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর শখের ফটোগ্রাফি কিংবা প্রফেশনাল লাইফে নিজের জায়গা করে নেয়া কোন কিছুই আসলে একদিনে সম্ভব হয়নি। দিনের পর দিন সুযোগ সুবিধার অভাব, হতাশা নিজেকে গ্রাস করেনি সেটা বলে মিথ্যা বলবো না। তবে, নিজের জীবন থেকে চরম যে শিক্ষা গুলো পেলাম এটাকেই আশা করি বাকি কাজ গুলো, দায়িত্বগুলো পালন করে যাচ্ছি। ওভার নাইটে কিছু করা, রিসোর্স না থাকার হতাশা, সুযোগ সুবিধার অভাব আসলে আর আমাকে ভাবায় না। এসব নিয়ে ভাবলে কাজের কাজ তো আর হবে না। ছোট থেকে হাটি হাটি পা পা করে বড় হওয়ার প্রশান্তিই অন্যরকম।

“Start with what you have, just Start…path will learn you walking”.

Read More
Domain Hosting

দেশীয় হোস্টিং কোম্পানীর গুলোর বেহাল দশা

একটা করে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো করে হোস্টিং কোম্পানী ভুমিস্ট হয় আর সাথে সাথে একটা কইরা হোস্টিং হেল্পলাইন, হোস্টিং বেচাকেনা, ডোমেইন হোস্টিং অফার, বাল ছাল গ্রুপের জন্ম হয়। ১/২ টা ছাড়া কোন গ্রুপেই কোন নিয়ম কানুন নেই। যে যেমনে পারে সারাদিন অফার পোস্ট করতে থাকে। ১ টাকায় হোস্টিং ২ টাকায় ডোমেইন ইত্যাদি ইত্যাদি। 

৮০% ওয়েবসাইটে TOS পেজটা পর্যন্ত নাই। ৩০% লিঙ্ক # মারা। ক্লিক করলে কাজ করেনা। বিলিং সিস্টেম / ম্যানেজমেন্ট প্যানেল যে বলে যে কিছু থাকবে দূরে থাক। অনেকে পার্সোনালি ডোমেইন কিনে বিক্রি করে, যারা একটু স্মার্ট ধান্দাবাজ তারা সাব একাউন্ট দিয়ে বলে ডোমেইন কন্টোল প্যানেল সহ। এতে করে খুজে পেতে অফারে ২০০/৪০০টাকায় ডোমেইন বেচতে পারে যে।

৫০০-১০০০টাকা দিয়ে একটা রিসেলার প্যাকেজ নিয়েই ব্যবসা খালাস তাদের। আরে ভাই রিসেলার নিয়েই ব্যবসা করনা অন্তত ভালো একটা কোম্পানীর রিসেলার নে। একটা মানুষ তো আপনার প্রোডাক্ট ফ্রি নিবে না, টাকা দিবে নিবে তা যত কম দিয়ে কিনুক না কেন। তাদের তো মিনিমাম একটা কোয়ালিটি দেবার ব্যাপার আছে, তাই না?

গত ৪ মাস ধরে ২০০ এর বেশি দেশি কোম্পীনি নিয়ে রিসার্চ করলাম। আমি হতবাক এটা দেখে যে কিভাবে ধরে বেধে একটা ভালো সেক্টর আমরা ধবংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশি কোন ডেভলপার’রা দেশি হোস্টিং কোম্পানী থেকে হোস্টিং নিতে চায় না। যারা একটু অনলাইনে ঘুরাঘুরি করে/ ব্লগিং এফিলিয়েট করে তারা বাইরের হোস্টিং কিনে সবসময় দরকার হলে শেয়ার্ড হোস্টিং এ তারা বছরে ১০০ ডলার পে করে এখানে আমাদের দেশে ৫ ডলারে ভরি ভরি শেয়ার্ড হোস্টিং পাওয়া যায়।

যেই সেক্টরটা পাবলিক একটু বুঝে যায় যে ২টাকা ইনভেস্ট করলে ১০ টাকা আসে (আসলে তা না) সেই সেক্টরে সবাই হামলে পরে। আগে যেমন ছিল ক্লিক ক্লিক ডুল্যান্সার। ৬মাস ১ বছর আগেও ফ্রিল্যান্সার একটা গালি ছিল আমাদের দেশে। এখন অবস্থার একটু হলেও উন্নতি হয়েছে।

আমি অপেক্ষা করছি কবে হোস্টিং ইন্ড্রাস্টিতে বড় একটা ধস আসবে। তবেই হয়তো লোভীদের টনক নড়বে। তথ্য অধিদপ্তর / বেসিস যদি এই সেক্টর টাতে একটু নজর দিতো খুবই ভালো হতো।

Read More
Linux

Cairo-Dock 3.3 ইন্সটলেশন – উবুন্টু ১৪.০৪

ইন্সটল করতে নিচের কমান্ড গুলো টার্মিনালে রান করুন –

sudo add-apt-repository ppa:cairo-dock-team/ppa

sudo apt-get update

sudo apt-get install cairo-dock cairo-dock-plug-ins
cairodock

Cairo-Dock এক প্রকার ডেস্কটপ ইন্টারফেস যা দ্রুত এপ্লিকেশন ব্রাউজ করতে ব্যবহত হয়

Read More
Photography

Travel Photography Exhibition 2014 by Berai Bangladesh

Travel Photography Exhibition 2014 started from January 2014 hosted by Berai Bangladesh. One of my photo had been selected for this exhibition. I was excited! This exhibition closed on 27 January. Berai Bangladesh declared 1st , 2nd and 3rd prize on this day.

Check out some photos from this event,

একতারা

This photo of mine was selected for this Exhibition

 

Read More
Essential Kits Linux

Video Download Helper Mozilla Add-On

Do you want to download any kind of video from your player? or, you want to download video from webpages? You can simply use Video DownloadHelper as add-on by mig on Mozilla Firefox. This Add-On is specially for Ubuntu users as they don’t have any pre-installed download manager and still now their is no good Download manager for Ubuntu distributions.

Video DownloadHelper

For instance, if you go to a YouTube page, you’ll be able to download the video directly on your file system. It also works with MySpace, Google videos, DailyMotion, Porkolt, iFilm, DreamHost and others.

Read More
Linux

উবুন্টুতে বুট রিপেয়ার (Boot Repair) করুন খুব সহজে

বুট রিপেয়ার করতে হয় কেন? 

– যদি আপনার GRUB2 কোন কারনে নষ্ট হয়ে যায় অথবা ব্রোক হয়ে যায় তাহলে আপনাকে বুট রিপেয়ার করতে হবে। যদি উবুন্টুতে চলা পিসিতে যদি আপনি অন্য ড্রাইভে উইন্ডোজ দেন তাহলে আপনার গ্রাব হারিয়ে যাবে তখন আপনাকে বুট রিপেয়ার করতে হবে। মূলত, যদি কোন কারনে আপনার বুট মেনু হারিয়ে যায় তখনই আপনাকে বুট রিপেয়ার করতে হবে।

বুট রিপেয়ার একটি ফ্রি সফটওয়্যার যা GNU-GPL লাইসেন্সের অধীনে। আপনি সফটওয়্যারটি আপনার উবুন্টু ডিস্ট্রিবিউশন এর সাথে ব্যবহার করতে পারবেন।

বুট রিপেয়ার ইন্সটল পদ্ধতিঃ

প্রথমে আপনাকে একটি পেনড্রাইভ উবুন্টু সহকারে বুটেবল করতে হবে। বুটেবল কিভাবে করতে সেটা জানার জন্য এখানে দেখতে পারেন।

পেনড্রাইভ দিয়ে উবুন্টু বুট করে “Try Ubuntu” অপশন দিয়ে উবুন্টু চালু করুন। অতঃপর টার্মিনাল ওপেন করে নিচের কোড গুলো রান করান।

sudo add-apt-repository ppa:yannubuntu/boot-repair && sudo apt-get update

– Press Enter.

– Then type:

sudo apt-get install -y boot-repair && (boot-repair &)

– Press Enter

* ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।

 

বুট রিপেয়ার কিভাবে ব্যবহার করবেন?

http://pix.toile-libre.org/upload/original/1335260967.png

“boot repair” লিখে উবুন্টুর ড্যাশ মেনু থেকে বুট রিপেয়ার চালু করুন। তারপর  “Recommended Repair” এ ক্লিক করুন। আপনার বুট মেনু কিছুক্ষনের মধ্যে স্বয়ংক্রিয় ভাবে ঠিক হয়ে যাবে।

বিঃদ্রঃ কোন ভুল চোখে পড়লে আপনাকে এখানে জানাতে ভুলবেন না।

Read More
WordPress

One of My HTML-Static to Dynamic WordPress Theme

Here, BreakEven is a HTML Template from FreeCSSTemplate.org. I Just convert from HTML to WordPress Dynamic Theme. It has a simple Theme Option where you can upload logo – favicon and footer text and for homepage widgets it has three built in widget areas called Promo Area One, two and three and also has space for right sidebar.

 

Screenshots :

BreakEven 2013-12-13 18-41-25

 

Theme Option :

 

Theme Options ‹ BreakEven — WordPress 2013-12-13 18-55-27

 

Homepage Widgets :

 

Widgets ‹ BreakEven — WordPress 2013-12-13 18-57-30

 

BreakEven Demo Download BreakEven BreakEven HTML Version

 

 

Read More
1 2 3 4 5 7