Linux

লিনাক্স ও ভাইরাসের সংক্ষিপ্ত জীবনী

অবশেষে উবুন্টুতে স্থায়ী হতে পেরে হাঁফ ছেড়ে বাচলাম। অন্তত এজন্য যে এই অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটলের পর পরই “your computer might be at risk” নামক বার্তাটা দেখায় না। বলে না এন্টিভাইরাস ইন্সটলের প্রয়োজনীয়তার কথা। কিন্তু বহুদিনের উইন্ডোজ ব্যাবহারের পর এরকম কথাবার্তা বিশ্বাস করতে মন চাইল না। আসলেই কি লিনাক্সে ভাইরাস হয় না বা নেই?

এই প্রশ্নটার সরাসরি উত্তর হ্যা এবং না দুটোই হতে পারে। সরাসরি উত্তরে যাবার আগে আমরা কম্পিউটার ভাইরাসের আক্রমনের দিকগুলো দেখি। সাধারনত ভাইরাসের আক্রমনের প্রধান শিকার হল আপনার আমার মত সাধারন হোম ইউজার রা। হোম ইউজের জন্য উইন্ডোজ নিঃসন্দেহে লিনাক্সের চাইতে অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং বালাই বাহুল্য যে উইন্ডোজ ইউজাররাই ভাইরাস,ট্রোজান বা ম্যালওয়্যারের মূল শিকার। অপরদিকে লিনাক্স ব্যাবহারকারীরা কখনো ভাইরাসের কবলে পড়েছে এমনটা কেউ কি কখনো শুনেছেন?  উত্তর “না”, তাহলে কি উইন্ডোজই ভাইরাসের মূল লক্ষ্য? লিনাক্স নয়? একটু ভাবুন, যারা উইন্ডজের ভাইরাস বানাতে হাজার হাজার ঘন্টা শ্রম দিচ্ছেন তারা চাইলেই লিনাক্সের দিকে নজর দিতে পারেন এবং লিনাক্সের দিকে নজর দেয়াটা ভাইরাস ছড়ানোর সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় কারণ বিশ্বের ৭০ ভাগ সার্ভার লিনাক্সে চলে আর এর যে কোন একটায় ভাইরাস ঢুকাতে পারলেই কেল্লা ফতে!

তাহলে ভাইরাস প্রোগ্রামার রা লিনাক্সের দিকে ঝুঁকছেন না কেন? উত্তর হল ইউন্ডোজ ভাইরাস নির্মাতাদের এত বেশি সুবিধা দিচ্ছে যে লিনাক্সের দিকে তাকানোর কোনো প্রয়োজনই পড়ছে না তাদের। কিভাবে এই সুবিধা দিচ্ছে ইউন্ডোজ?

উইন্ডোজ ভাইরাস প্রোগ্রামারদের কাজ সবচেয়ে সহজ করে দিয়েছে তাদের ওএস আর সকল থার্ড পার্টি সফটওয়্যারের কোড ক্লোজড সোর্স করে দিয়ে। আপনি কোনো সফটওয়্যারেরই কোড দেখতে পারবেন না এবং আপনি কখনই বুঝতে পারবেন না আসলে আপনি যে প্রোগ্রামটি চালাচ্ছেন তা ক্ষতিকর কিনা। এখন আপনি বলতে পারেন আপনি তো কম্পিউটার প্রোগ্রামার নন, আপনি কোডিং এর ক ও বুঝেন না, আপনাকে সোর্স দেখিয়েই বা লাভ কি? হ্যা কথা সত্যি, হোম ইউসারদের তো কোড বোঝার কথা না। তাহলে তারা কি করবে?

এখানেই আসে রিলায়্যাবল সোর্স এর ব্যপার। আপনাকে এমন কারো উপর নির্ভর করতে হবে যে কোড বুঝে এবং যে আপনার ব্যাবহারের জন্য বেছে নেয়া সফটওয়্যারটির কোড দেখে আপনাকে বলে দেবে যে, না, এই কোড নিরাপদ। উইন্ডোজে যখন চালাবেন, তখন কোড নিরাপদ কিনা বা সফটওয়্যার ক্ষতিকর কি না তা সবচেয়ে ভালো বুঝবে উইন্ডোজ এবং এখানেই ভাইরাস নির্মাতারা তাদের সবচেয়ে বড় সুবিধাটা পেয়ে গেলো। আর তা হল উইন্ডোজ কখনোই তাদের ওএস এ চলবে এমন কোন থার্ড পার্টি সফটয়্যার এর কোড দেখে না। তার মানে ভাইরাস নির্মাতা যাই বানান না কেন সেটাকে একটা অক্ষতিকর প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে যে কোনো উইন্ডোজ ব্যাবহারকারীর হাতে মোটামুটি সহজেই ধরিয়ে দিতে পারবেন।

ভাইরাস তা যতই ক্ষতিকর হোক না কেন সেটা কাজ করার জন্য প্রোগ্রামটাকে চলতে হবে। না চলে বসে থাকলে তো আর সেটা ভাইরাস হল না ! হ্যা এখানেও লিনাক্সের চাইতে উইন্ডোজেই সুবিধা।প্রথমত উইন্ডোজে ইউজার প্রিভিলেজ প্রায় সব ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ, অথবা ঝুকিটা জেনে বা না জেনে প্রায় সব ইউজারই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে লগইন করে থাকেন, এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটর লগইন এ আপনি যা খুশি তাই করতে পারবেন অতএব আপনি একবার ক্লিক করেই ক্ষতিকর ভাইরাসটি ট্রিগার করে দেবেন এবং সেটি তার কাজ করতে থাকবে নিশ্চিন্তে। এছাড়া আরেকটি বিষয় হল উইন্ডোজ তার প্লাটফর্মে চলমান প্রোগ্রামগুলোকে সিস্টেম কমান্ড চালাতে দেয়, তার মানে আপনি একবার কোনো প্রোগ্রামকে আপনার সিস্টেমে চালাতে অনুমতি দিলে সেটি এরপর যা খুশি তাই করতে পারবে। এবং আপনি ভেবে দেখুন এটা এতই ভয়ঙ্কর হতে পারে যে আপনি হয়ত কোনো গান শোনার সফটওয়্যার ইনস্টল করলেন এবং সেটি মুহূর্তেই আপনার সব ডাটা হার্ডডিস্ক থেকে মুছে দিল এবং তখন আপনি কিছুতেই এটা থামাতে পারবেন না।

আচ্ছা, আমি আসল কথাটা এড়িয়ে যাচ্ছি কেন? ভাইরাসের জন্য তো এন্টিভাইরাস আছেই, তাহলে আর চিন্তা কি? হুম। কথা সত্য এন্টিভাইরাস আছে, কিন্তু সেটি কিভাবে ভাইরাস আর ভালো প্রোগ্রামের মধ্যে পার্থক্য করে বলুন তো? একটা ডাটাবেজের মাধ্যমে, যেটা নিয়মিত আপডেট করতে হয়। এখন নতুন কোন ভাইরাস যদি সেই ডাটাবেজে না থাকে তাহলে কখনোই এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম সেই ভাইরাসটা চিনবে না। এবং ভাইরাস ডাটবেজে অনুপস্থিতির জন্যই দেখবেন অনেকেই অভিযোগ করে অমুক এন্টিভাইরাস কিছুই পাইল না আর এইটা হাজারটা ভাইরাস পাইল। কিন্তু ভাইরাস পাওয়া আর না পাওয়ার জন্য যে এন্টিভাইরাস উইস করছেন সেটি নিরাপদ তো? বুঝলেন না? আপনি যদি প্রো ভার্সন ইউজ করেন তাহলে সেটা জেনুইন তো? না? তাহলেই হয়েছে! যে ডাক্তার রোগ সারাবে তার সার্টিফিকেটই জাল? অধিক সুবিধার আশায় এন্টিভাইরাস ক্র্যাক করে তো নিজেই খাল কেটে কুমির আনলেন। এই এন্টিভাইরাস যে আসলেই কাজ করছে কি করে বুঝবেন?

এন্টিভাইরাস কাজ করুক বা না করুক উইন্ডোজ তো নিয়মিত তাদের সিকিউরিটি আপডেট দিচ্ছে। আপনার তো নিরাপদ থাকার কথা? না, আপনি তবুও নিরাপদ নন। কারণ উইন্ডোজ নিরাপত্তা আপডেট দিচ্ছে তার সিস্টেমের নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করতে, সিস্টেমের আর কোন কিছু নিয়েই উইন্ডোজ আর মাথা ঘামায় না। ফলাফল যে লাউ সেই কদু। যতই সিকিউরিটি আপডেট দিয়ে সিস্টেম নিরাপদ করুক থার্ড পার্টি সফটওয়্যার গুলোর নিরাপত্তা ত্রুটি কখনোই উইন্ডোজের মাথাব্যাথার বিষয় না। তার মানে যতই আপডেট করান লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না, যে প্রোগ্রামগুলো ঝুকিপূর্ণ বা ভাইরাস তাদের পেছনের দরজা কিন্তু সবসময় খোলাই রয়ে গেলো।

এবং এজন্যই এত এন্টিভাইরাস, এত অটোরানব্লকার ব্যাবহার করার পরও আপনাকে মাসে দুবার সেটাপ দিতে হয়, তারপরো কয়দিন পরে ফাইল গায়েব হয়ে যায়, সিস্টেম স্লো হয়ে যায়, ব্রাউসারে খুশিমত পেজ খুলতে থাকে- মানে কম্পিউটারটা আপনার আর আপনি যে নিজেই সেটি চালাচ্ছেন সে বিষয়েই আপনার সন্দেহ দেখা দেয়।

আচ্ছা এবার অন্য দিকটা দেখি, লিনাক্সে কি হয়?

উইন্ডোজে ভাইরাসের প্রথম যে সুবিধার কথা বললাম সেটাই লিনাক্সে প্রধান অসুবিধা। কোড তো ওপেন, আপনি কি বানালেন যে কেউ দেখবে এবং কারো না কারো চোখে ধরা পড়বেই যে এটা কোড নয়, ব্যাবহারকারীকে ফাঁসানোর জন্য বানানো ফাঁদ ! আর তো আপনার ভাইরাস ডেভেলাপ করা হল না। যেটা গনমানুষের জন্য উন্মুক্ত সেখানে আপনি ক্ষতির চেস্টাও করতে পারবেন না কারণ কেউ না কেউ এই কোড দেখবেই এবং কোড যে ক্ষতিকর সেটা বুঝতে পারলে ভাইরাস বানানোর ইচ্ছা কখনই পূরন হবে না।

আচ্ছা ধরুন কারো চোখে পড়ল না যে ওটা একটা ভাইরাস কোড, বা ডেভেলপার কোনমতে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ছদ্মবেশ নিয়েই নিল। এরপর?

হ্যা এরপরের বাধাটাই সবয়ে বড়, আপনাকে তো উবুন্টু রেপো থেকে সফটওয়্যারটা নিতে হবে। এবং এখনেই ভাইরাস প্রোগ্রাম ধরা পড়বেই। রেপোতে থাকা সব প্রোগ্রামকে অনেক অনেক নিবিড় পর্যবেক্ষনের পরই রেপোতে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয় এমনকি আলফা, বেটা ফাইনাল সবগুলোই টেস্ট করা হয়। আলফা বা বেটা পর্যায়ের পর আর ডেভেলাপ না করায় অনেক ভাল ভাল সফটয়্যারও রেপো থেকে বাদ পড়ে। তার মানে আপনি কোড জানুন বা না জানুন আপনি সবচেয়ে নিরাপদ প্রোগ্রাম পাবেন এতে কোনো সন্দেহ নেই।

আচ্ছা ধরুন এতকিছুর পর ও কোন না কোন ভাবে আপনার পিসিতে ঢুকে গেল একটা ভাইরাস। এরপর? হ্যা তারপর আপনার পিসি ই তার মৃত্যুকূপ। কেন? কারন আগেই বলেছি ভাইরাস যদি কাজ না করে বসে থাকে তাহলে সেটি ভাইরাস কি করে হবে? আর এখানেই লিনাক্সে যত সমস্যা। লিনাক্স তো যে সে প্রোগ্রামকে যা তা করার অনুমতি দিয়ে রাখে নাই। তাহলে ভাইরাস কাজ কি করে করবে? ভাইরাস তো দুরে থাক, সিস্টেমে পরিবর্তন আনতে হলে আপনাকেই রুট অ্যাকসেস থাকতে হবে আর ভাইরাস প্রোগ্রাম তো থার্ড পার্টি মডিউল সেটাকে লিনাক্স কোন দুঃক্ষে রুট অ্যাকসেস দেবে? তার মানে লিনাক্স পিসিতে ঢুকলেই কার্যক্ষমতা একেবারেই শূন্য এবং অকার্যকর ভাইরাস মানেই মৃত ভাইরাস।

এবং এই মৃত্যু ভাইরাস,ম্যালওয়্যার সবকিছুর জন্যই খাটে কারন আর যাই হোক সিসেম কমান্ড চালানোর ক্ষমতা এই প্রোগ্রাম গুলোর নেই।

এরপর আসে সিস্টেম আপডেটের কথা। লিনাক্সে আপনার ব্যাবহার করা সকল সফটয়ারের যত্ন নেবার দায়িত্ব লিনাক্স নিজেই নিয়ে নিয়েছে। সিস্টেম আপডেটের পাশাপাশি বাদবাকি সফটওয়্যারের আপডেটও সময়মত আপনাকে লিনাক্স নিজেই দিয়ে দিবে, তার মানে আপনি সব সময় নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সিস্টেম আপডেট হলেও অন্য কোন সফটওয়্যারের নিরাপত্তা ত্রুটির জন্য আপনি ঝামেলায় পড়বেন না।

এবং এখানেই ভাইরাস ডেভেলপারদের মহা সমস্যা। যত যাই করুক তারা লিনাক্সে সুবিধা করতে পারছে না কিছুতেই।

কিন্তু লিনাক্স কে কিন্তু ভাইরাস ডেভেলপার রা ইউজ করতে পারে ভাইরাস ছড়ানোর জন্য। কিভাবে?

ধরুন আপনি আপনার ইমেইল এ আসা আপনার মিলিয়ন ডলার লটারি জেতার ডকুমেন্ট ফাইলটা লিনাক্সে নামালেন। আপনি কিন্তু জানেনই না যে এই ফাইলের মেটাডাটার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভাইরাস কোড। আপনি সেটা খুললেন ওপেন অফিসে, উইন্ডোজের জন্য লিখা মেটাডাটার সিস্টেম কমান্ড লিনাক্সে কিছুতেই কাজ করবে না। অতএব আপনি সম্পুর্ন নিরাপদ। ভাইরাস আপনার পিসিতে এসেও কিছুই করতে পারল না।মজা না?

আসলে মজা না। কারণ এটা আপনার পিসিতে এসেছে আপনার ক্ষতি করার জন্য নয়, আপনি একটু পরেই আপনার উইন্ডোজ ব্যাবহারকারী যে বন্ধুটির কাছে ফাইলটি ফরোয়ার্ড করবেন সে ই ভাইরাসটির টার্গেট। আপনার লিনাক্স পিসিতে সম্পুর্ণ নিরাপদ একটি ফাইল আপনার বন্ধুর উইন্ডজকে মুহূর্তেই গুড়িয়ে দিতে পারে। অতএব, লিনাক্স ভাইরাস মুক্ত হলেও ব্যাবহারকারীর অসতর্কতা এটিকে ভাইরাস সঞ্চালনবান্ধব করতে পারে।

এরপরেও একটা কথা থেকে যায়, এন্টিভাইরাস কোম্পানিগুলো তাহলে লিনাক্সের জন্য এন্টিভাইরাস কেন বানাচ্ছে? হ্যা ওরা এন্টিভাইরাস বানাচ্ছে, তবে সেগুলো লিনাক্সের জন্য নয় বা লিনাক্স এর ভাইরাস ধরার জন্যও নয়, ওগুলো বানানোর মূল কারণ হল লিনাক্স সার্ভারে চলা বা হোস্ট করা উইন্ডোজের প্রোগ্রামগুলোকে ভাইরাস মুক্ত রাখা। এবং এখানেও আবার দেখুন লিনাক্সের উদারতা, নিরাপত্তার এই দর্শন ব্যাবসায়ী উইন্ডোজ কখনোই দেখাতে পারে না। কোন থার্ড পার্টি সফটওয়্যারের ঝুকি তারা কখনোই পরীক্ষা করে না বা এ সঙ্ক্রান্ত কোন দায় দায়িত্ব ও তারা নেয় না। অথচ লিনাক্সের সার্ভারে হোস্ট করা উইন্ডোজ প্রোগ্রামগুলো ঝুকিপূর্ণ কিনা সেটা আপনি চাইলেই লিনাক্সে বসেই করতে পারবেন এবং সার্ভারগুলো করছেও সেটা।

পরিশেষে, উবুন্টুতে এসে আমি অনেক নির্ঝঞ্ঝাট আছি। আমাকে হাজারটে সাইটে ঘুরে ঘুরে একটা সফটওয়ার খুজতে হয় না। খুব সহজেই আমি পেয়ে যাই সফটওয়্যার সেন্টারে। আমার ধারনা উইন্ডোজ এরকম একটি সফটওয়্যার সেন্টার বানালেও সেটি আপনার আমার কোন কাজে আসবে না, কারণ আমরা সেখান থেকে কিছুই নিতে পারব না। আমাদের গন্তব্য ক্র্যাকড আর পাইরেটেড সফটওয়্যারের ঝুকিপূর্ণ সাইটগুলোর দিকেই থাকবে সবসময়। আর ট্রায়াল ভার্শন নামিয়ে সেটিকে প্রো করতে আগে যে ঘন্টার পর ঘন্টা ইন্টারনেটের ঝুকিপুর্ন সাইটগুলতে ঘুরাঘুরি করতে হত তার হাত থেকে মুক্তি পেয়ে কতটা নির্ভার লাগছে বোঝাতে পারব না।

আপনাদেরও বলি, মুক্তির পতাকাতলে আসুন। স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার স্বাদ নিন। কেন নিজের পিসিতে বাড়তে দেবেন ক্ষতিকর ভাইরাস? নির্ভার কম্পিউটিং এর পৃথীবি উন্মুক্ত রইল সবার জন্য।

(CC:BY-NC-SA লাইসেন্সের অধীনে প্রকাশিত।

You may also like
উবুন্টুতে লোকালহোস্ট কনফিগার করুন, এপাচি/ পিএইচপি-মাই-এডমিন সেটাপ দিন
Configure LESS CSS at Sublime Text 3 on Ubuntu

Leave a Reply