Category Archives: Thoughts

আর একটু ঘুম

ছোটবেলায় মা মারলে কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পড়তাম, বড় হয়ে আর সেটা সম্ভব হচ্ছে না। “মা”র মাইরে মনে হয় অন্য কিছু থাকে যেটা ঘুমের জন্য কার্যকরী … না হলে বড় হওয়ার পর যতোই কাঁদেন ঘুম তো আসবেই না, বরং উল্টা কাজ হতে পারে। নন স্টপ ঘুম হারাম !! , মার কাছে গিয়ে বলতে ইচ্ছা করছে মা একটূ মারো না, আমি একটু ঘুমাবো। যে ঘুমে কোন দুঃস্বপ্ন থাকবে না। থাকবে না, ঘুম থেকে উঠার পর কিছু না পাওয়ার অতৃপ্তিটুকু …

বিক্ষিপ্ততা

বন্ধুটি বলে উঠলো, বিয়া করলে তো তুই শেষ। তোরে পাওয়া মুশকিল হইয়া যাইবো। আমিও টাশকি। তাই তো ! কিন্তু ব্যাপারটা একটু বিশ্লেষন করে দেখলাম, আসলে সমস্যা কি ধরনের হতে পারে মুশকিল হওয়ার মতো? ভেবে ভেবে খুব বেশি কিছু পেলাম না, ব্যস্ততা জিনিসটা ছাড়া। কাজ-কর্মে ব্যস্ত, এই তো? আর তেমন কি এমন কারন থাকবে?

একটু পুরানো জিনিস ভেবে দেখলাম। যে মানুষের সাথে তীব্র পরিমান ক্লান্ত থাকার পরেও ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা যায়, ঘন্টার পর ঘন্টা হাটা যায়। ছোট ছোট আনন্দ দেয়ার জন্য কতো কিছুই না করা যায়, সামান্য কিছু সময়ের বিবর্তনে সেটার এতো পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব হয়? শুধুমাত্র ব্যস্ততার জন্য এতকিছু হয়ে যাবে? পরিচিত একটা লাইন বলতে কখনোই চাই না তবুও মাঝে মাঝে বলতে হয়, No one is busy in this world, its all about priority.

কিছু মানুষের সাথে কথা বলতে তো কখনোই সময়জ্ঞান করতে হয়নি,
কিছু মানুষের সাথে আড্ডা দিতে তো কখনো শিডিউল দেখতে হয়নি,
কিছু মানুষ কথা বলতে চাইলে বেলালুম ভুলে যেতাম ব্যস্ততার সব স্তরগুলি
এই কিছু মানুষ গুলোই তো সবকিছু, কতো সুখ-বেদনার, কালক্ষণের রাজসাক্ষী,

এই মানুষগুলোকে ছাড়া কেমনে আমি শেষ হই?
আমি তো ছিলাম, এই তো এখনো আছি চেয়ে দেখ ,
আমি থাকবো … এবং
বেহায়ার মতো থেকেই যাবো … : )

নারী দিবস # আমার "মা"

৬ বছর আগে এই দিনে জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা দিছিলাম (SSC) …
আর এই সময় টাতে , ৪ টা ৩০মিনিট …
বিছানায় ১০৪ ডিগ্রী জ্বরে কাতরাচ্ছিলাম।
সারারাত মা পাশে বসে ছিলো, ওষুধ পত্র … মাথায় পানি দেয়া…
জোর করে খাওয়ানুর চেষ্টা …
খাওয়ার পর মাঝে মাঝেই বমি করে দিতাম,
সেগুলো পরিষ্কার করা। শরীর মুছে দেয়া একটু পর পর …
আরো কত কি যে ঝামেলায় ফেলছিলাম আম্মু কে তা বলার বাইরে …

এই মানুষটার কারনেই হয়তো আজ পড়াশোনা এখন ও করতেছি। SSC ড্রপআউট হলে আর পড়াশোনা করতাম কিনা সন্দেহ। পরীক্ষার দিন সকাল ৯ টায় জ্বর একটূ ফল করাতে কোন রকমে হলে নিয়ে গেছিলো আম্মু। আশ্চর্যের বিষয় এটাই ছিল যে পরীক্ষার হলে আমার কোন জ্বর ছিল না। ভালো মতোই সব লেখতে পারছিলাম। এরকম জ্বর নিয়ে প্রথম ৪টা পরীক্ষা দেই।

যাই হোক, আজ নাকি নারী দিবস। সবার কাছেই নিজের মা’ই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নারী। আমার কাছেও তা ই। মা কে সন্মান/ ভালোবাসা দিতে আমার দিবসের দরকার হয় না। তবুও… এই দিনে আমার কাছে দুনিয়ার সেরা নারী আমার মা’র জন্য অশেষ ভালোবাসা রইলো।

মা অসুস্থ বেশকিছুদিন ধরেই। কিন্তু সেই পরীক্ষার বেড়াজাল থেকে এখনও বের হতে পারলাম না। পাশে থাকলে মা কে বলতাম দেখলা, সবকিছুই ঠিক আছে …কিছুই বদলায় নাই। শুধু আমার বদলে, তুমি অসুস্থ। কিন্তু মা, আমি যতই সেবা করি, তোমার মতো করে কি পারবো ? তোমার সেবার একচুল পরিমান ও কি তা হবে? !!

ছেলে ও মেয়ে

ছেলে’রা বন্ধুর জন্য জান-প্রাণ;
আর মেয়েদের ক্ষেত্রে?
বয়ফ্রেন্ড’ই তাদের জান-প্রাণ…
আর কেউ না …

যে ছেলেটা গার্লফ্রেন্ড/লাভার এর কোন বিষয়ে কোনদিনও কাদেনি তাকে ভালোমতো জিজ্ঞাস করলে বের করা যাবে যে সে কোন না কোনদিন কোন এক বন্ধুর জন্য কেঁদেছিল। তার কাছে care জিনিসটার মানে অনেক বড় কিছু।

মেয়েদের ক্ষেত্রে ? , তার সকল হাসি-কান্না/ চলাফেরা ওই একজনের জন্যই। বন্ধু জীবনের একটা বড় অংশ হলেও সেগুলা এক পর্যায়ে তারকাছে তুচ্ছজ্ঞান মনে হয়। Don’t care ভাবটা আপনা আপনি এসে পরে। তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। তাঁরা এমনই…

তোমায় যেভাবে দেখি !

ক্যামেরা-লেন্স তো উছিলা মাত্র
ছবিতে তোমরা যা দেখো
তাতো আমার অন্তরের বহিঃ প্রকাশ
আমি যেভাবে দেখি প্রতিটি ভঙ্গিমা
এ দুচোখে
তা ই তুলে ধরি তোমাদের সামনে
কেউ তা বুঝে কেউ বা না,
তবে সবই আমার
সাফল্য অথবা ব্যর্থতার আস্ফালনেই সীমাবন্ধ …
আর আগাতে পারি না
এক রহস্যময় জগৎ আমায় আটকে ধরে
মায়ার জালে …

যা ভাবতে ভয় লাগে

যেমন জড়িয়ে ছিলে ঘুম ঘুম বরফ পাশে
আমিও খুঁজি তোমায় আমার আশে পাশে
আবার সন্ধ্যে বেলায় ফিরে যাওয়া জাহাজ বাঁশি
বুকে পাথর রাখা মুখে রাখা হাসি
যে যার নিজের দেশে আমরা স্রোত কুড়োতে যাই …

একজন নারী

একটা মেয়ে, কি আছে তার ? দুটি হাত ? দুটি পা? মাথা , নাক , মুখ ? বিউটি ? মেয়েলি স্বভাব? হ্যা, এসব ই তো। তবে মেয়েলি স্বভাবের বাইরে যদি কোন কিছু একটা মেয়ের থেকে থাকে তবে… she will be the rear female in this world… she will be the most special one … if someone lose her he will be the great loser in this world … he can’t measure by using his whole life, what he lose !! Specially, I don’t want to lose her at any cost .. I afraid .. !!

নির্বাক

ছেলেটা ইচ্ছে করলেই মেয়েটাকে আই লাভ ইউ বলতে পারেনা , ইচ্ছা করলেই বলতে পারেনা ক্যান ইউ বি মাই ফ্রেন্ড? ছেলেটার সে সাহস হয়না, যদি কিছু বলার পর মেয়েটা তার জীবন থেকে একেবারে হারিয়ে যায়। তারচেয়ে প্রতিদিন রাস্তায়, হঠাৎ কোন রেস্টুরেন্টে, ক্যান্টিনে আড্ডায় তার হাসিমুখ দেখেই সে সন্তুষ্ট। সে চায় না কথা বলতে , চায় না তাকে একান্ত আপন করে পেতে। সে শুধু নীরবে ভালোবেসে যেতে চায়। তার আর কিছুই চাই না …..

 

উদাসী ..