Category : Out of Line

Out of Line

Protected: আমার বন্ধুরা – ১

This content is password protected. To view it please enter your password below:

Read More
Out of Line

মজার কিছু ফেসবুকের স্টাটাস (কিছু আমার + কিছু চুরি করা)

আর একটা স্টাটাস ও হারিয়ে যেতে দিবো না ইনশাল্লাহ ……

নং -১

ছাত্রজীবন
১সর্বাধিক জ্বালাময় মুহুর্ত: মর্নিং এলার্ম এ ঘুম ভাঙ্গা
২.সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যাত্রা: ক্লাসের পথে যাত্রা
৩.সবচেয়ে আনন্দদায়ক সময়: বন্ধুর সাথে আড্ডা
৪.সবচেয়ে দুঃখজনক খবর: পরীক্ষা কাছিয়ে আসা
৫সবচেয়ে আনন্দের সংবাদ: শিক্ষক অনুপস্থিত থাকা
৬.সর্বাধিক serious হওয়া : পরীক্ষা হল থেকে বের হয়ে (নতুন ভাবে পড়াশুন শুরু করতে হবে
৭.সবচেয়ে সময় ব্যয় যে ভাবনায় : আজ থাক, কাল থেকে কোপাইয়া পড়ুমু

নং-২

সাধুবাবা তার অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য। উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।

তা দেখে একজন বলল, “কি সাধুবাবা, আপনি উঠছেন না কেন?”

সাধুবাবা উত্তরে বললেন, “বৎস, পাপ ধোয়ার সাথে সাথে গামছাটাও যে ধুয়ে চলে যাবে তা ভাবতেই পারিনি।”

নং-৩

শুনলাম ইভা রহমান জাপানে যাইতেছে “কনসার্ট” করার জন্য!!
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
জাপানী মানুষ গুলোর কষ্ট দেখে খারাপ লাগতেছে!!
প্রথম এ ভূমিকম্প!!
তারপর সুনামি!!
আর এইবার, ইভা রহমান!!
MAY ALLAH SAVE THE JAPANESE..
AMEEN!!

নং-৪

আমরা এমন এক দেশে জন্মেছি যেখানে……….
১.পিত্জা ডেলিভারি এম্বুলেন্স আর পুলিশের আগে আসে
২.গাড়ির লোন ১৮%,কিন্তু শিক্ষা লোন ৪০%
৩.চালের কেজি ৫০ টাকা,কিন্তু সিম কার্ড প্রায় ফ্রী
৪.জুতা বিক্রি হয় এসি শো-রুমে আর খাবার জিনিস(সবজি) বিক্রি হয় ফুটপাতে
৫.আমরা খাই কৃত্রিম লেবুর জুস,আর আসল লেবুর রস দিয়ে করি ডিসওয়াশ
৬.ভূয়া ডিগ্রীধারীরাই সমাজের মাথা(শিল্পপতি),আর সত্যিকারের মেধাবীরাই কর্মহীন।
এ দেশে ভাল কিছু কী সম্ভব?

নং-৫

একজন ফটোগ্রাফার তার সারাজীবনে বন্ধুদের কাছ থেকে কোন কথাটা সবচেয়ে বেশি শুনে?????
১# “ওই আমার ছবি কই???”
২# “আমার ছবি কবে দিবি???”
৩# “শালা!!! সারাদিন কী করস??? ছবি আপলোড করতে এতো টাইম লাগে???”
৪# “তোর না আমার ছবি তোলার কথা??? কবে তুলবি???”
ভাইরে !!! আমরাও তো মানুষ!!!! নাকি!!!!
(কাচুমাচু ইমো!!!!)

নং-৬

Boy and girl in restaurant !!
Boy: I love you ♥
Girl: I don’t love you ♥
Boy: Think again?
Girl: No no and no
Boy: waiter, bring separate bills.
Girl: ok ok….I love you too

নং-৭

* যে শহর ঈদ এও ফাকা হয় না – ঢাকা
* আজকের যুগের নবাব – সি এন জি ড্রাইভার্স
* যাদের কাছে টাকার খুচরা থাকেনা- রিকশাওআলা মামা 🙂
* যারা কখনো সোজা হয়ে দাড়াতে পারেনা – বাংলাদেশী মডেল 🙂
* ছেলেদের চোখে সেরা সুন্দরি — অন্যের গার্লফ্রেন্ড / বউ

নং-৮

শুধু এই একটা কারণেই ঈদের অনুষ্ঠান দেখতে বসি না। ধরা যাক,একটা ঈদের নাটক দেখতে বসলাম। একটু পরে মনেই থাকবে না যে,আমি আসলে নাটক দেখছিলাম নাকি বিজ্ঞাপন দেখছিলাম। হুদাই ফাউল!! ঈদের অনুষ্ঠান দেখতে বসলে মেজাজটাই গরম হয়ে যায়। মাঝে মাঝে নাটকের কি কাহিনী বা ঘটনাপ্রবাহ ছিল সেটাও ভুলে যাই।

নং-৯

WHiCH iS THE MOST BEAUTiFUL FEELiNG iN THE WORLD ??
.
.
.
.
.
.
.
.
vVHEN YOU TRY 2 LOOK AT YOUR FRiEND
AND YOU FiND THAT YOUR FRiEND iS
ALREADY LOOKiNG AT YOU …!! 8->

LOCATiON : EXAMiNATiON HALL….!!

নং-১০

Friendship is not about “I’m sorry” it’s about “সব তোর দোষ”
Friendship is not about “I missed you” it’s about “এতো দিন কই মরসিলি”
Friendship is not about “I understand” it’s about “সব সময় আমি ক্যান বুঝব”
Friendship is not about “I’m happy for your success” it’s about “আবে পার্টি কবে?”
Friendship is not about “Are you coming with us” it’s about “ভাব কম মার চুপচাপ সাথে চল”
যার উপর এমন অধিকার না থাকে চাই না সে বন্ধু চাই না। 🙂

নং-১১

এক লোক গেছে ড্রাইভিং লাইসেন্স আনতে। তারে দেখানো হলো জেব্রা ক্রসিংয়ের ছবি,গিয়ারবক্স, রোড সাইন এগুলো।
সে বলল- কিছুই চিনি না।
পরিদর্শক বললেন, ‘তোমার তো বেসিকই নাই, লাইসেন্স দেয়া হবে না… ইনাদের কে চিনো?’
লোকটি বলল, ‘চিনিঃ একজন যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন, আরেকজন নৌ মন্ত্রী শাজাহান খান।’
পরিদর্শক লিখে দিলেন, ‘লাইসেন্স দেয়া যেতে পারে। মন্ত্রী বলেছেন গরু ছাগল চিনলে লাইসেন্স দেয়া যাবে’…..!

নং-১২

মন্ত্রী বলেছিলেন, “খাওয়া কমিয়ে দিন, দ্রব্যমূল্যের দাম কমবে”। এইটা নিয়া আমরা চিল্লাচিল্লি করে অস্থির। আসুন একটু পজিটিভলি ভেবে বের করি এতে আরও কি উপকার হবে-

* খাওয়া কম -> কেনা কম -> বাজারে চাপ কম -> দ্রব্যমূল্য হ্রাস
* খাওয়া কম -> খরচ কম -> সঞ্চয় বৃদ্ধি
* খাওয়া কম -> বাজার কম -> বৌ-এর সাথে বাজার বিষয়ক ঝগড়া হ্রাস
* খাওয়া কম -> বাজারে গমন হ্রাস -> মেজাজ ঠান্ডা -> মানসিক শান্তি বৃদ্ধি
* খাওয়া কম -> খরচ কম -> উন্নয়নশীল খাতে ব্যায় বৃদ্ধি
* খাওয়া কম -> মেদভুড়ি নিয়ন্ত্রণ -> সুস্থতা

নং-১৩

একদা এক সাধুর আশ্রমে এক রমনী ছিলো,যে সাধুর সেবা করতো,সারাদিন ব্যা ব্যা করে গান গাইতো।সাধু ছিল বধির।
তো রমনীর সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে এক দিন সাধু তাকে বর দিলো,
“হে রমনী,তুমি আমার অনেক সেবা করেছ।কিন্তু আমি বধির বলে তোমার ব্যা ব্যা শুনতে পারি নি।
আমি তোমাকে বর দিলাম,এমন এক স্বামী তুমি পাবে,যে সারা দুনিয়ায় তোমার ব্যা ব্যা শুনানোর ব্যবস্থা করবে”

সে রমনী এখন “ইভা রহমান ”
নামে পরিচিত:-P

নং-১৪

Understanding a Girl is
like downloading 1GB file with 2
kbps speed
&
When You have Downloaded 99%
You Get an Error.

নং-১৫

A policeman saw a teenage boy crying

He asked him : Whats the matter ?

Boy : ” MATTER ” is anything that occupies space and has mass .

নং-১৬

তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী আক্কাচকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে।

২ ঘন্টা পরে আক্কাচ তড়িঘড়ি করে এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!!

নং-১৭

শেখ মুজিবুর রহমান আমার আদর্শ নয়
জিয়াউর রহমান আমার আদর্শ নয়
শাহরুখ খান আমার আদর্শ নয়
ম্যারাডোনা আমার আদর্শ নয়
হিটলার আমার আদর্শ নয়
আইনস্টাইন আমার আদর্শ নয়
আমার আদর্শ এবং আমার প্রিয় ব্যক্তিত্ব হযরত মুহাম্মাদ সা.
ঐ ক্বিয়ামতের ময়দানে হযরত আদম আ. থেকে নিয়ে হযরত ইসা আ. পর্যন্ত কোন নবী আল্লাহর সামনে কোন কথা বলতে সাহস পাবেন না। ঐ দিন আল্লাহর সামনে যিনি সুপারিশ করতে পারবেন তিনি হলেন আমাদের নবী সা.

নং-১৮

তুই আমার মায়ের পেন ড্রাইভ ফরম্যাট করেছিস … ইয়েয়াআআ ভীশুম!! তুই আমার বোন কে মিস কল দিয়েছিস … ইয়ুয়া ধিসুম ( নাকের উপর ঘুসি) !!! তুই আমার আব্বার ল্যাপটপ নষ্ট করেছিস আআআ… ধাম ( আছার মাড়ার শব্দ ) তুই আমার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করেছিস (ধুম ধাম) ??? আজকে তোকে আমি ডিলিট করেই ফেলব < এই সময় এন্তি ভাইরাস এর আগমন ঘটবে > এসেই এনটিভাইরাস বাহিনি বলবে “আইন নিজের হাতে তুলে নিবেননা জনাব…”

নং-১৯

আমি বলছি না ভলোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন ভিতর থেকে আমার ঘরের দরোজা
খুলে দিক । কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক ।
কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক : ‘তোমার চোখ এতো লাল কেন ?’

নং-২০

বাংলাদেশের কিশোরিরা শব্দ করে হাসে, একটু বয়স হলেই হাসির শব্দ গিলে ফেলে হাসার চেষ্টা করে। চেষ্টাতে সাফল্য আসে। একসময় হাসির শব্দ পুরাপুরি গিলে ফেলতে শিখে যায়। হারিয়ে ফেলে চমৎকার একটা জিনিস…

নং-২১

পাগলা গারদে দুই পাগল,একে অপরকে বলেঃ> মাইনসে আমডার ফাগল কয়, চল পরিক্ষা কইরা দেহি আমরা না মাইনসে পাগল ।১মজন বল্ল আমি জিগাই তুই উত্তর দিবি ঠিক আছে ? হাতটা মুঠ করে বলে >আমি কিধরছি ? ২য়জন বলে >ড়েল গাড়ী ! ১মজন>হুম্ম দেইক্কা লাইচচ ! এবার ২য়জন> আচ্ছা পানিত আগুন লাগলে মাছ গুলি কই যায় ?১মজন > কেন গাছে উডে ! ২য়জন > ধুর বেডা তুই একটা ফাগল ! মাছ কি গরু নি গাছে উঠতো ?

নং-২২

কোন এক দৈনিক পত্রিকার একটি খবরের হেডিং সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করল। সেটা হলঃ ‘পুলিশের গু খাইয়া বকের মৃত্যু।’ পরদিনের সংখ্যায় সেই হেডিং সম্পর্কে লেখা হলঃ ‘হেডিংটি আসলে হইবেঃ পুলিশের গুলি খাইয়া যুবকের মৃত্যু।’ এরপরের লাইনে পত্রিকাটি আবারও ভুল করল। সেখানে লেখা হলঃ ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখিত, আমাদের পাছায় চুল ছিল।’ আসলে হবেঃ ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখিত, আমাদের ছাপায় ভুল ছিল।’

নং-২৩

১৮ বছর বয়সে মেয়েরা ফুটবলের মতো, ২২ জন ছেলে তার পেছনে দৌঁড়াচ্ছে.
বয়স যখন ২৮, মেয়েরা তখন বাস্কেটবলের মতো, ১০জন তার পেছনে।.
৩৮ বছর বয়সে মেয়েরা যেন গলফ বল, মাত্র একজন পুরুষ তার পেছনে.
৪৮ বছর বয়সে মেয়েরা যেন টেবিল টেনিস বল, একজন সর্বদা চেষ্টা করছে আরেকজনের দিকে ঠেলে দিতে.

নং-২৪

স্বর্গে একটা ঘড়ি আছে
যখন কেউ একবার মিথ্যা বলে, তখন ঘড়ির কাটা একবার ঘুরে।

মাদার তেরেসার ঘড়ির কাটা কখোনো ঘুরে নাই।
তিতুমীর এর ঘড়ি একবার ঘুরেছিল
আর
আমাদের রাজনীতিবিধদের ঘড়ি??????




ওইটাকে দেবতা’রা table fan হিসেবে ব্যবহার করেন !!!

নং-২৫

আমার একজন বন্ধু দরকার, বন্ধু !!
যে বন্ধু উত্তাল সমুদ্রের অতল থেকে আমার
শেষ রাতের চাপা আর্তনাদের শব্দ শুনবে,
আমার বুকেতে মাথা রেখে আমার জীর্ণ মনের ক্ষুধা খুঁজবে,
প্রশান্তের নাবিক হয়ে আমায় বিশাল এ্যালবাট্রসের ছায়া ভেজাবে,
হ্যাঁ, আমার ঠিক সেই রকম একজন বন্ধু চাই, বন্ধু !

নং-২৬

আপনি যখন খুব বেশী রেগে যান তখন কী করেন??
যখন অতিরিক্ত রাগী তখন বাইরে যেয়ে চিপ্স, কোক, পুরি, সিঙ্গারা, মোগলাই খেয়ে আসি।

নং-৩০

কয়দিন পর যখন ভার্সিটিতে পোলাপাইনরে সিট দিতে পারব না তখন
শিক্ষামন্ত্রী বলবেন ” আপনারা কম পাশ করেন , সব ঠিক হয়ে যাবে। কম পাশ করলে সিটের সমস্যা কমবে। ভাল ভার্সিটিতে ভর্তির প্রতি লালসা কমান, তা হলে তাদের উচিৎ শিক্ষা হবে। আগেকার মানুষ কম পড়াশুনা করত বলে তারা অনেক বেশি জানত।তাছাড়া পড়াশুনার মাধ্যমে মানুষের মাথায় ক্ষতিকর চিন্তা সহজে প্রবেশ করে। তাই কম পড়া ভালো বলে আমি বিশ্বাস করি।

নং-৩১

বনগোবনদু সেটেরেডিয়াম কি জিনিস? লেখক বলেছেন: অইযে শেক মজিব মাট আর কি। এম আই টু বলেছেন: শেক মজিব মাট হাচিনাপায় সুনলে রেপপুলিশ ডিয়া আপনাকে দরে নিয়ে যাবে ।লেখক বলেছেন: কেন টিনি কি কুব কারাপ মহিলা?

নং-৩২

এক ছেলে মেয়ে কে বলছে “ই লাভ ইউ”
মেয়েঃ অই আয়নাতে নিজের চেহারা দেখছিস কখনো
ছেলেঃ দেখছি বইলাই ত তর মত পেত্নির কাছে আসছি নাইলে তো ক্যাটরিনার কাছেই যাইইতাম

নং-৩৩

টাকা দিয়ে কত কিছু কেনা যায় আর তার আরেকটা প্রমাণ দেখলাম, NTV তে মাগরিবের আযানের টাইটেল “ইস্পাহানি মাগরিবের আযান”

নং-৩৪

স্ত্রী ও চুম্বকের মধ্যে পার্থক্য কী?
-চুম্বকের একটি পজিটিভ দিক আছে

নং-৩৫

এক তরুণ রাস্তায় এক তরুণীর পথ রোধ করে বলল, কিছু মনে করবেন না। আমি একটা টেলিফোন ডিরেক্টরি লিখছি, আপনার নম্বরটা যদি দয়া করে দিতেন

নং-৩৬

সংসদের গেটের সামনে ভাঙাচোরা একটা সাইকেলে তালা মেরে রেখে যাচ্ছিল এক লোক। তা দেখে হা হা করে ছুটে আসে দারোয়ান। চিৎকার করে বলে, ‘ওই ব্যাটা, এখানে সাইকেল রাখছিস কী বুঝে? জানিস না, এ পথ দিয়ে মন্ত্রী-মিনিস্টাররা যান।’
লোকটা একগাল হেসে জবাব দেয়, ‘কোনো সমস্যা নাই ভাইজান, সাইকেলে তালা মাইরা দিছি

নং-৩৭

স্যার : তুমি বড় হয়ে কি করবে ?
ছাত্র : বিয়ে
স্যার : আমি বুঝাতে চাচ্ছি বড় হয়ে তুমি কি হবে ?
ছাত্র : জামাই
স্যার : আরে আমি বলতে চাচ্ছি তুমি বড় হয়ে কি পেতে চাও ?
ছাত্র : বউ
স্যার : গাধা,তুমি বড় হয়ে মা বাবার জন্য কি করবে?
ছাত্র : বউ নিয়ে আসবো
স্যার : গর্দভ,তোমার বাবা মা তোমার কাছে কি চায় ?
ছাত্র : নাতী নাতনী
স্যার : ইয়া খোদা…তোমার জীবনের লক্ষ্য কি ?
ছাত্র : বিয়ে
স্যার অজ্ঞান…..

নং-৩৮

ছেলেদের জীবনের ট্রাজেডী

১। ভাল মেয়েরা দেখতে সুন্দর নয়।
২। সুন্দর মেয়েরা ভাল না।
৩। সুন্দর+ভাল মেয়েরা single না।
৪। সুন্দর+ভাল+ single মেয়েদের গুন্ডা টাইপের হস্তিসদৃশ ভাই আছে।
৫। সুন্দর+ভাল+ single মেয়ে যাদের নিজেদের আপন ভাই নেই তারা ছেলেদেরকে ভাই হিসেবে গ্রহন করে !!!!

নং-৩৯

এরোপ্লেনে এক সুন্দরী এয়ার-হোস্টেজ কে এক যাত্রী : আপনার নাম কি ??
এয়ার-হোস্টেজ : ইভা বেঞ্জ।
যাত্রী : চমৎকার নাম ! মার্সিডিজ বেঞ্জ – এর সাথে কোন ভাবে সম্পর্ক আছে ??
এয়ার-হোস্টেজ : (মৃদু হেসে) ‘Same price !’

নং-৪০

Teacher: What do you call your mother?
Student: MUM.
Teacher: What do you call your mother’s younger and elder sister?
Student: MINIMUM & MAXIMUM

নং-৪১

ক্লাশের ফাস্ট বয় ক্লাশে ঢুকে ঘুমিয়ে পড়ল.
শিক্ষক: এই তুমি ঘুমাচ্ছ কেন?
ছাত্র: আমাকে আমার মত থাকতে দিন।
শিক্ষক: এমন করলেতুমি আর প্রথম হতে পারবেনা।
ছাত্র: আমি নিজেকে নিজের মতগুছিয়ে নিয়েছি।
…………শিক্ষক: তুমি এবারও কিন্তু গণিতে ১০০ পাবেনা এমন করলে।
ছাত্র: যেটা ছিলনা ছিলনা সেটা না পাওয়াই থাক……. সব পেলে ব্যর্থ জীবন।
শিক্ষক: তাহলে তুমি এখন ক্লাশেমন দিবে না?
ছাত্র: না….না না না..না…. না….না না না..না

নং-৪২

স্ত্রীঃ এই তুমি আজ আমার ইলিশ মাছের তরকারীতে Comment করলে না কেন??
স্বামীঃ খাওয়া শেষ করে Comment করি?? আর আমি তোমার তরকারী দেখেই তো Like মেরেছি।
স্ত্রীঃ ভালো কথা, পাশের বাড়ীর ভাবীকে তুমি নাকি Poke করো??
স্বামীঃ ছিঃ ছিঃ তুমি এগুলা বলতে পারলে?? আমি তোমাকে কত ভালোবাসি জানো?? তোমার নামে Page খুলেছি, Group খুলেছি ।
স্ত্রীঃ শোন চান্দু তুমি যদি বেশী চালাকী করো তাইলে আমি কিন্তু তোমারে Block করে দেব।

নং-৪৩

আমার ভাষা এতই রমণীয় যে দুই ঠোঁটের আলাদা আলাদা নাম আছে তাতে, এতই নান্দনিক যে অমাবস্যা থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত বিভিন্ন রূপের চাঁদের ভিন্ন ভিন্ন নাম আছে, প্রতিটি শব্দ এত সুন্দর যে সে ‘ধোলাই’কে বলে প্রক্ষালণ, ‘পশুর দাঁত’কে বলে বিষাণ, এতই উর্বর যে যেকোন মুহুর্তে একটা নতুন শব্দ জন্ম নিতে পারে। উচ্চারণের স্বাধীনতার জন্য আছে ১১টা স্বরবর্ণ, বিশুদ্ধতার জন্য আছে ৩টা ‘স’, আছে ৩টা ‘র’
আমার ভাষা অসাধারণ, আমার ভাষাই সবচেয়ে সুন্দর

নং-৪৪

কোলকাতার বাবুদের কথাঃএক বন্ধুর সাথে আরেক বন্ধুর দেখা।একজন অপরজনকে জিজ্ঞাসা করলো ,দুপুরে কি খেয়েছো?অপর বন্ধুর উওর , বাবা বাজার থেকে ৫০০গ্রাম মাংস এনেছিলু।তার থেকে মা আদ্দেক রান্না করলো বাকি আদ্দেক ফ্রীজে তুলে রাখলো।দিদি এসেছিলো জামাইবাবু আর বাচ্ছাদের নিয়ে।আমরা সবাই মাংস দিয়ে দুপুরে ভাত খেলুম।বাবা বলায় মা পাশের বাসার রহমান বাবুকেও কিছুটা দিয়ে এসেছে ।মা আবার বাটিতে করে রাতের জন্য একটু তুলে রাখলো ।যা মজা করে খেলুম না.

নং -৪৫

যে ছেলেটা ঢাবির টিএসসির বারান্দায় বসে প্রেমলীলা করছে তাকে যদি জানানো যায় যে তার বোন ফুলার রোডের ফুটপাথে বসে একই কাজ করছে তবে প্রতিক্রিয়াটা হবে দেখার মত, অথচ তার প্রেমিকাও হয়ত কারো বোন। দুঃখজনকভাবে তার নিজের অন্যায়টা তার চোখে পড়ছেনা

নং-৪৬

এ বছরের সবচেয়ে সেরা জোকস…
“ভবিষ্যতে বিরোধী দলে গেলে আওয়ামী লীগ বিশৃঙ্খলা-ভাংচুর করবে না। হরতাল ডাকবে না। আওয়ামী লীগ আগেও কখনো বিশৃঙ্খলা কাজ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না==স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন”

নং-৪৭

একটা জিনিস শিখলাম- শাড়ি পছন্দ হইছে মানেই এই না যে ঐটা তৎক্ষনাৎ কিনে ফেলা হবে। এইটা আসলে আপাত বিবেচনায় রাখা হল, পরবর্তী পছন্দগুলোর সাথে তুলনা করে তারপর ফাইনাল ডিসিশান নেয়া হবে এবং সেটা অবশ্যই একদিনে না !!!!

Read More
Out of Line

বাংলা কম্পিউটিং আসলে কি

বাংলা কম্পিউটিং বলতে আমরা স্বাভাবিকভাবে বুঝি কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ বাংলায় করতে পারা। লেখা – পড়া তো থাকবেই, সেই সাথে ফাইলের নাম, ডাটাবেইজ, অনুসন্ধান জাতীয় জটিল কাজ করতে পারা যাবে অনেক সহজেই। আজ আমরা সেটা করতে পারি পৃথিবীর অন্য সব ভাষার পাশাপাশি।

ভারত উপমহাদেশের ভাষাগুলিকে কম্পিউটার বোদ্ধারা নাম দিয়েছেন “জটিল ভাষা” (Complex Language) এবং বাংলা ভাষা সেই গোষ্ঠির একটা সদস্য হওয়ায় কম্পিউটারে এই ভাষা স্থাপন করাতে অনেক কাঠ-খঁড় পুড়তে হয়েছে। কম্পিউটারে যে-কোনো ভাষার বহুমুখী ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট গঠন। যেমন: আপনি যদি QWERTY কি-বোর্ড ব্যবহার করেন (আমরা প্রতিদিনের ব্যবহারে যে ইংরেজী কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার করি) তাহলে যে কম্পিউটারেই বসেই কাজ করেন না কেনো কী-বোর্ডের মাঝের লাইনের সর্ববামের কী চাপ দিলে a লিখা আসবে। বাংলা লিখার জন্য বাজারে বহুবিধ সফটওয়্যার থাকলেও সেগুলি নির্দিষ্ট কোনো গঠন ব্যবহার করতোনা বা এখনো করেনা। যেমন প্রশিকা/বিজয় দিয়ে লিখা একটি বাংলা ফাইল যদি অন্য একটি কম্পিউটারে নিয়ে খোলেন, যেখানে প্রশিকা/বিজয় বা তাঁদের ফন্ট নেই, তাহলে আপনি আবর্জনা ছাড়া কিছুই দেখতে পাবেন না। প্রচলিত সব সফটওয়্যারেরই একই অবস্থা। কম্পিউটারে ভাষার নির্দিষ্ট কোনো গঠন না থাকার কারনে এমনটি হয়ে থাকে।

বিদেশী অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার নির্মাতারা এই জাতীয় টাইপিং সিস্টেমগুলিকে বলে থাকেন চোরাই সিস্টেম (hacked system), কারন ইংরেজী অক্ষরগুলির স্থানে বাংলা লেখা (টাইপ) বসিয়ে দিয়ে বাংলা দেখানো হয়, কিন্তু কম্পিউটার মনে করছে যে আপনি ইংরেজীই লিখে যাচ্ছেন। আপনি যদি একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন এবং প্রশিকা/বিজয় কোনো অফিস স্যুটে বাংলা লিখে থাকেন, তাহলে দেখবেন যে আপনার লেখার নীচে লাল দাগ দিয়ে কম্পিউটার আপনাকে বলছে যে আপনি ভূল টাইপ করছেন, এবং মাঝে মাঝে আবার আপনার লেখা বানানকে সয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক করে দিতে গিয়ে আপনাকে বিপদে ফেলবে। প্রশিকা/বিজয় ব্যবহারকারীরা এটা অবশ্যই জানেন। এমনটি হবার একমাত্র কারণ যে কম্পিউটার মনে করে যে আপনি ইংরেজী লিখছেন। অবাক লাগলেও সত্য যে এই সফটওয়্যারগুলি এতদিন আমাদের ভাষার মেরুদন্ড হয়েছিলো এবং ভাবতে অবাক লাগে যে আমরা টাকা দিয়ে এই সব আবর্জনা কিনে ব্যবহার করেছি দিনের পর দিন।

কম্পিউটারে ভাষার একটি নির্দিষ্ট গঠন থাকার সুবিধাগুলি হলো আপনি যেখান থেকেই এই ভাষা ব্যবহার করেন, আপনি একই জিনিস ব্যবহার করবেন। যেমন আমি যদি ইংরেজীতে একটি ই-মেইল লিখে পাকিস্তানে পাঠাই, প্রাপক সেটা সঠিকভাবেই দেখতে পাবেন। বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা ছিলোনা। মানুষের নির্দিষ্ট একটা গঠন আছে বলেইতো আমরা চোখে দেখলে বুঝতে পারি এটা মানুষ। নির্দিষ্ট গঠনের সুবিধাই হলো এটা।

২০০০ থেকে ২০০১ সালে’র মধ্যে ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম () এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্টেন্ডার্ডাইজেশন () এর যৌথ উদ্দ্যোগে ইউনিকোড ৩.০ সংস্করণে প্রথমবারের মতন বাংলা ভাষা যোগ করা হয়। সেইসাথে আমরা কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য মোটামুটি একটা গঠন পেয়ে যাই। কিন্তু সমস্য হলো যে এটা ব্যবহারযোগ্য হবে কি না। কারন আমাদের বহুল ব্যবহৃত অক্ষর “ৎ” এখানে ছিলোনা এবং ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম আমাদের অনেক বিষয় পরিষ্কার করে বলে দেয়নি, যেমন: দাঁড়ি (।) কিভাবে আসবে। এসব নিয়ে দেশের পত্রপত্রিকায় অনেক কিছু লেখালেখি হলেও কেউ সঠিক পদক্ষেপ গ্রহন করেননি এগুলিকে সুধরাবার।

প্রথমবারের মত যখন ইউনিকোডের ঐ গঠন ব্যবহার করার চেষ্টা করা হলো, তখন দেখা গেলো আরও অনেক সমস্যা। যেমন: অ্য, এ্য হচ্ছেনা, ৎ (খন্ড ত) লিখা যাচ্ছেনা ইত্যাদী। ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম আমাদের উক্ত বিষয়ে পরিস্কার কোনো নিতিমালা তৈরী করে দেয়নি সেই সময়ে। অনেকদিন সময় নিয়ে এবং অনেক গবেষনার মাধ্যমে বিষয়গুলির সমাধান করা হয়েছে। এখানে একটি মজার বিষয় হলো যে, আমাদের ভাষার অসফল বিষয়গুলি সমাধানের দায়িত্ব বড় বড় কোম্পানীর (যেমন মাইক্রসফট, এডোবি ইঙ্ক) হাতে থাকলেও বাস্তব সমাধান দিয়েছিলো কিছু অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। ইউনিকোড কর্তৃক প্রদত্ত বাংলা ভাষার গঠন ব্যবহার করে প্রথম বাংলা ফন্ট (ফন্ট হলো কম্পিউটারে অক্ষর বা লেখা দেখার বা ছাপার জন্য বিশেষ ধরনের প্রযুক্তি) তৈরী করেন “মুক্ত বাংলা ফন্ট” নামক একটি অলাভজনক দলের সদস্যরা। এরপর সেগুলির লক্ষ্য করে উন্নয়নের কাজ চালান সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানিগুলো।

এর পরে ২০০৪ সালের শেষের দিকে আসে ইউনিকোড গঠন ৪.০, যেখানে অনেক পরিস্কার করে সব নিয়ম কানুন উল্লেখ করে দেয়া ছিলো। পরে গতবছর ইউনিকোড গঠন ৪.১-এ খন্ড-ত সহ যাবতীয় সমস্যার সমাধান করে দেয়া হয়।

কম্পিউটারে বাংলা ভাষার নির্দিষ্ট ব্যবহারিক গঠন তৈরীতে আমাদের তেমন দেশের কোনো দৃষ্টান্ত নেই, এটা অনেক দুঃখজনক হলেও সত্য যে সব সমস্যাই সমাধান করেছেন বিদেশী লোকেরা। কয়েকজনের নাম আমার বলা উচিৎ হবে, তাঁরা হলেন ১: এ্যন্ডি হোয়াইট (যুক্তরাজ্য), ২: পল নেলসন (মাইক্রসফট, যুক্তরাষ্ট্র), ৩: ডঃ রবিন আপটন (আল্ট্রুইস্ট ইন্টারন্যাশনাল, যুক্তরাজ্য), ৪: ডঃ গৌতম সেনগুপ্তা (হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত), ৫: প্রদীপ প্রাপিল (মাইক্রসফট, ভারত), ৬: এরিক মুলার (এডোবি ইঙ্ক, যুক্তরাষ্ট্র)। এই ব্যাক্তিরা আমাদের ভাষাকে কম্পিউটারে প্রনয়ণ করার বিষয়ে মারাত্বক ভূমিকা পালন করেছেন।

গত ৩০ জানুয়ারী ২০০৬ ইং তারিখে মাইক্রোসফট তাঁর বহুপ্রচলিত অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপি’র বাংলা চেহারা ছেড়েছে। মাইক্রসফট এটা ছেড়েছে আসলে পশ্চিমবঙ্গকে লক্ষ্য করে। কিন্তু এর অনেক আগে আমাদের বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী দলা “অঙ্কুর” () লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের চেহারা বাংলায় করেছিলো। অঙ্কুরের এই প্রচেষ্টার দৃষ্টান্ত দেখে মাইক্রোসফটের মতন বড় কোম্পানি কিছুটা হলেও ভয় পেয়েছে এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য বাংলা চেহারার উইন্ডোজ ছেড়েছে বাজারে।

আমাদের মাতৃভাষায় অপারেটিং সিস্টেম হলে আমরা বিভিন্ন দিক থেকে উপকৃত হবো। যেমন: প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই একটি শিশু কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে একজন দক্ষ ব্যবহারকারীর মতন। যে-কেউ যে-কোনো কাজ নিশ্চিন্তে করতে পারবে। কোথাও ঠেকে গেলে সাহায্যকারী ফাইল ব্যবহার করতে পারবে। আর এর সবকিছুই আজকে সম্ভব।

সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় আমাদের সফলতা আসতে অনেক দেরী হয়েছে। এই সফলতার পেছনে যারা কাজ করেছে বাড়ীর খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মত কাজ করেছেন। তবে আজকে আমরা যা পেয়েছি, পরবর্তি প্রজন্ম আর কাউকেই দোষারোপ করবেনা। আজকে আমি যদি একটা বাংলা ইমেইল লিখি আমার আমেরিকার বন্ধুর কাছে (অবশ্যই ইউনিকোড গঠন ব্যবহার করে), সে সেটা কোনো সমস্যা ছাড়াই পড়তে পারবে। বাংলা এখন মুক্ত, বাংলা এখন সবার জন্য। বাংলাদেশের মানুষ না খেয়ে থাকতে পারে, কিন্তু কম্পিউটার চালাতে আর কোনো সমস্যা হবেনা আগামী দিনে।

আমাদের ভাষা বাংলা, বাংলাই আমাদের অহংকার। আমরা এই ভাষায় কথা বলি এবং মোটামুটি সবখানে ব্যবহার করি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে কম্পিউটারের এই যুগে যেখানে কম্পিউটারে পৃথিবীর সব ভাষার একটা পুরনো অবস্থান আছে, বাংলা ভাষার অবস্থান সেই পর্যায়ে আসতে অনেক বেশী সময় লাগলেও শেষ পর্যন্ত কম্পিউটারে বাংলার একটা অবস্থান আমরা করে নিতে পেরেছি। সেজন্য আজ আমাদের অহংকার আরেক ধাপ বেড়েছে।

লেখকঃ
শরিকুল ইসলাম আজাদ – অমি

Read More